গোটা টুর্নামেন্টের মতো ফাইনালেও কর্ণাটকের মতো শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে দাপুটে ক্রিকেট খেলেছে পরেশ ডোগরার নেতৃত্বাধীন জম্মু এবং কাশ্মীর৷ এ দিন কর্ণাটকের হুবলি ক্রিকেট মাঠে কর্ণাটক এবং জম্মু কাশ্মীরের মধ্যে ফাইনাল ড্র ঘোষণা হয়৷ প্রথম ইনিংসে এগিয়ে থাকার সুবাদেই চ্যাম্পিয়ন হয় জম্মু এবং কাশ্মীর৷ ফাইনালেও আট বারের রঞ্জি চ্যাম্পিয়ন কর্ণাটককে আগাগোড়া কোণঠাসা করে রেখেছিল ভারতীয় ক্রিকেটে এতদিন আন্ডারডগ হিসেবে পরিচিত জম্মু এবং কাশ্মীর৷
advertisement
প্রথম ইনিংসে বড় লিড নেওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসেও ৪ উইকেট হারিয়ে ৩২৪ রান তোলার পর ইনিংস ডিক্লেয়ার করে দেন জম্মু কাশ্মীরের অধিনায়ক পরেশ ডোগরা৷ এর পরই দুই দলের অধিনায়ক ম্যাচ ড্র ঘোষণা করতে সহমত হন৷
শনিবার দ্বিতীয় ইনিংসে জম্মু কাশ্মীরের ওপেনার কামরান ইকবাল শতরান করেন৷ নিয়মিত ওপেনার শুভম খাজুরিয়া ছিটকে যাওয়ায় ফাইনালে প্রথম এগারোয় শেষ মুহূর্তে দলে সুযোগ পান কামরান ইকবাল৷
চতুর্থ দিন সকালে জম্মু কাশ্মীর এতটাই সুবিধাজনক জায়গায় ছিল যে ম্যাচের ভাগ্য কার্যত নির্ধারিত হয়ে গিয়েছিল৷ সে কারণে বোলিং করার সময় খুব বেশি গা লাগায়নি কর্ণাটকও৷ দলের সেরা দুই বোলার প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ এবং বিজয়কুমার ব্যাশককে দিয়ে এক ওভারও বল করাননি কর্ণাটকের অধিনায়ক দেবদত্ত পাড়িক্কল৷ তার বদলে শ্রেয়স গোপাল, শিখর শেট্টির পাশাপাশি কে এল রাহুল, করুণ নায়াররা কর্ণাটকের হয়ে হাত ঘোরান৷
রঞ্জি ট্রফির ফাইনালে টসে জিতে ব্যাটিং নেয় জম্মু এবং কাশ্মীর৷ প্রথম ইনিংসে ৫৮৪ রান তুলে অল আউট হয় তারা৷ তার জবাব কে এল রাহুল, ময়াঙ্ক আগরওয়াল, দেবদত্ত পাড়িক্কলের নিয়ে গড়া কর্ণাটকের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইন আপও এবারের রঞ্জির সবথেকে বড় প্রাপ্তি জম্মু কাশ্মীরের আকিব নবির দুরন্ত বোলিংয়ের সামনে ভেঙে পড়ে৷ প্রথম ইনিংস জম্মু কাশ্মীরের হয়ে ফের ৫ উইকেট নেন নবি৷ এবারের রঞ্জিতে এই নিয়ে সাত বার ইনিংসে ৫ উইকেট শিকার করলেন নবি৷ এবারের রঞ্জিতে সর্বাধিক উইকেট শিকারীও হলেন জম্মু কাশ্মীরের প্রতিশ্রুতিমান পেসার৷
