এই সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছেন বিসিসিআই-এর প্রাক্তন সভাপতি অনুরাগ ঠাকুর। তাঁর দাবি, ভারতের কাছে আবার হারার ভয়েই পাকিস্তান এই ম্যাচ এড়িয়ে যাচ্ছে বা পালিয়ে যাচ্ছে। অনুরাগ ঠাকুরের মন্তব্যের পর বিষয়টি আরও রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসে। ক্রিকেটপ্রেমীদের একাংশ মনে করছেন, খেলাধুলার ময়দানে এমন সিদ্ধান্ত খেলার চেতনাকেই আঘাত করছে।
advertisement
পাকিস্তান সরকারের বক্তব্য অনুযায়ী, এই সিদ্ধান্তের পেছনে কেবল খেলাধুলা নয়, দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতিও বড় ভূমিকা নিয়েছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে বালুচিস্তানে হওয়া হামলা এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগের কারণে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচটি রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে বলে জানানো হয়েছে। যদিও এই অভিযোগগুলির কোনও চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন এখনও প্রকাশ্যে আসেনি।
এছাড়া এই সিদ্ধান্তকে বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ার ঘটনার সঙ্গেও যুক্ত করে দেখা হচ্ছে। বাংলাদেশ নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তরের অনুরোধ করলেও আইসিসি তা মানেনি। এরপরই বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যা নিয়ে পাকিস্তান অসন্তোষ প্রকাশ করে।
আরও পড়ুনঃ Vaibhav Suryavanshi: বৈভব সূর্যবংশীর ব্যাটে বিরাট রেকর্ড! ভেঙে দিলেন দুই বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়কের নজির
সব মিলিয়ে, ভারত ও শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগেই রাজনৈতিক উত্তেজনার ছায়া পড়েছে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড আগেই জানিয়েছিল, এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সরকার নেবে। এখন সেই সিদ্ধান্তে টুর্নামেন্টে পাকিস্তানের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হলেও, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ না হওয়ায় বিশ্বকাপের উত্তেজনায় বড় প্রভাব পড়বে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
