ম্যাচে নামিবিয়া টস জিতে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেয়। অভিষেক শর্মার বদলে সুযোগ পাওয়া সঞ্জু স্যামসন শুরুটা ভাল করলেও বড় স্কোর করতে ব্যর্থ হন। ৮ বলে ২২ রান ককে বাজে শট সিলেকশন করে আউট হন তিনি। এরপর ইশান কিশান ও তিলক বর্মা দলের স্কোর বোর্ড এগিয়ে নিয়ে যান। বিশেষ করে পাওয়ার প্লে-তে ইশান কিশান শো দেখে ক্রিকেট প্রেমিরা।
advertisement
ইশান কিশান রীতিমত তান্ডব করেন পাওয়ার প্লে-র শেষ ওভারে। ষষ্ঠ ওভারে পরপর ৪টি ছয় ও একটি চার মেরে ম্যাচের রং পাল্টে দেন। সেই ওভারে মোট ২৮ রান করেন ইশান। ষষ্ঠ ওভারের পর ২০ বলে নিজের হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করেন। ৬.৫ ওভারে ১০০ রান পার করে ফেলে ভারত। কিন্তু এরপর ২৪ বলে ৬১ রানের ইনিংস খেলে আউট হন তিনি। ৫টি ছয় ও ৬টি চারে সাজানো তার ইনিংস।
ইশান ও তিলক ৭৯ রানের পার্টনারশিপ করেন। ইশান কিশান আউট হওয়ার পর চাপ বাড়ে ভারতীয় দলের ওপর। তিলক ২৫ ও সূর্য ১২ করে আউট হন। অল্প ব্যবধানে ৩টি উইকেট হারিয়ে রানের গতিবেগ কিছুটা কমে ভারতের। এরপর হার্দিক পান্ডিয়া ও শিবম দুবে ফের রানের গতিবেগ বাড়ান। মারকাটারি ব্যাটিং করে ২৬ বলে অর্ধশতরানের পার্টনারশিপ করেন দুবে-হার্দিক জুটি।
২৭ বলে নিজের ব্যক্তিগত হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করেন হার্দিক পান্ডিয়া। কিন্তু হার্দিক আউট হতেই পরপর আরও তিনটি উইকেট হারায় ভারত। সাজঘরে ফেরেন দুবে, অক্ষর ও রিঙ্কু। যার ফলে রানের গতি কিছুটা কমে। শেষ ২ ওভারে বোলিংয়ে দুরন্ত কামব্যাক করে নামিবিয়া। ২০৯ রানে ৯ উইকেটে শেষ হয় ভারতের ইনিংস।
রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালই করেছিল নামিবিয়া। রানরেট ঠিক রাখার পাশাপাশি বেশ কিছু মারকাটারি শটও খেলেন নামিবিয়ার ব্যাটাররা। স্টিনক্যাম্প, ফ্রিলিঙ্ক, এরাসমাসরা চেষ্টা করলেও অভিজ্ঞতার অভাবে ম্যাচের রাশ ধরে রাখতে পারেননি। বিশেষ করে ভারতীয় স্পিনাররা বোলিংয়ে আসতেই ম্যাচের রং পুরোপুরি পাল্টে যায়। বরুণ চক্রবর্তীর ঘূর্ণির সামনে অসহায় আত্মসমর্পন করে নামিবিয়ার ব্যাটাররা।
আরও পড়ুনঃ টি-২০ বিশ্বকাপে বিশ্বরেকর্ড ভারতের, যা কোনও দেশ পারেনি! তা করে দেখাল টিম ইন্ডিয়া
বোলিংয়ে এসে ২ ওভারেই ৩ উইকেট নিয়ে নামিবিয়ার ব্যাটিংয়ের কোমড় ভেঙে দেন বরুণ চক্রবর্তী। এরপর আর ম্যাচে ফেরার কোনও সুযোগ পায়নি নামিবিয়া। ভারত ম্যাচের রাশ পুরোপুরি নিজেদের দিকে করে নেয়। বোলিংয়ে নজর কাড়েন অক্ষর-হার্দিক। ১১৬ রানে অলআউট হয়ে যায় নামিবিয়া। এছাড়া ভারত মোট ৬ জন বোলার ব্যবহার করে সকলেই উইকেট পায়। এই জয় পাকিস্তান ম্যাচের আগে ভারতের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়াবে।
