ম্যাচে টস জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেয় জিম্বাবোয়ে। ইনিংসের শুরু থেকে একটু অন্য অভিষেক শর্মাকে দেখা যায়। পিচে একটু থিতু হয়েছেন আর সেট হতেই খেলেছেন নিজের একের পর এক ট্রেড মার্ট শট। প্রথমে সঞ্জু স্যামসনের সঙ্গে ৪৮ রানের পার্টনারশিপ করেন। সঞ্জু ১৫ বলে ২৪ রানের ইনিংস খেলে আউট হন। এরপর ইশান কিশানের সঙ্গে ৭২ রানের পার্টনারশিপ করে দলকে শক্ত ভিত গড়ে দেন অভিষেক শর্মা। ইশানও আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন। ২৪ বলে ৩৮ করেন তিনি।
advertisement
২৬ বলে নিজের হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করেন অভিষেক শর্মা। শেষ পর্যন্ত ৩০ বলে ৫৫ রান করে আউট হন তিনি। এরপর আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবও। ১৩ বলে ৩৩ রানের ইনিংস খেলেন স্কাই। স্লগ ওভারে ব্যাটিং তাণ্ডব চালান হার্দিক পান্ডিয়া ও তিলক বর্মা। ঝড়ের গতিতে ৫০ রানের পার্টনারশিপ পূরণ করে ফেলেন। শেষ বলে ছক্কা মেরে নিজের হাফ সেঞ্চুরি করেন হার্দিক। ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ২৫৬ রান করে ভারত। ২৩ বলে ৫০ করে হার্দিক ও ১৬ বলে ৪৪ করে তিলক বর্মা অপরাজিত থাকেন।
রান তাড়া করতে নেমে স্লো শুরু করে জিম্বাবোয়ে। পাহাড় প্রমাঁ টার্গেট তাড়া করতে নেমে একেবারেই ঝুঁকিহীন ব্যাটিং করে জিম্বাবোয়ের দুই ওপেনার। ৪৪ রানের পার্টনারশিপ গড়েন ব্রায়ান বেনেট ও মারুমানি। তবে কী ২৫৭ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে কেন এত ডিফেন্সিভ ব্যাটিং করা জিম্বাবোয়ে তা বোঝা যায়নি। তবে বেনেট সেট হতেই বেশ কিছু আক্রমণাত্মক শট খেলেনয় মারুমানি ২০ ও মায়ার্স ৬ রানে আউট হলেও নিজের ইনিংস চালিয়ে যান বেনেট। ৩৪ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন তিনি।
ব্রায়ান বেনেট ও সিকন্দর রাজা মিসে ৭২ রানের পার্টনারশিপ গড়েন। এরপর রাজা ৩১ রানে আউট হন। রায়ান বার্ল ক্রিজে এসে খাতা না খুলেই সাজঘরে ফেরত যান। অপরদকে নিজের ইনিংস চালিয়ে যান বেনেট। কার্যত একার হাতে দলকে টানেন জিম্বাবোয়ের ওপেনার। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৮৪ রান করে জিম্বাবোয়ে। ৯৭ রান করে অপরাজিত থাকেন ব্রায়ান বেনেট। ৭৩ রানে ম্যাচ জেতে ভারত। আর ভারতের জয়ের সঙ্গে সঙ্গে সেমিতে কোয়ালিফাই করে গেল দক্ষিণ আফ্রিকা।
