আহমেদাবাদে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে সবার নজর এখন অভিষেকের দিকে। টানা তিন ইনিংসে শূন্য রানে আউট হওয়ায় তরুণ এই ব্যাটারের আত্মবিশ্বাসে ধাক্কা লাগা স্বাভাবিক। সুপার ৮ পর্বের মতো বড় মঞ্চে এমন ফর্ম যে কোনও আক্রমণাত্মক ওপেনারের জন্য মানসিক চাপ বাড়িয়ে দেয়।
খেলাধুলায় খারাপ সময় আসতেই পারে, কিন্তু সেই সময়টাই সবচেয়ে কঠিন। আত্মসন্দেহ ভর করে, খেলোয়াড় নিজের দক্ষতা নিয়েই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন। সোশ্যাল মিডিয়ার সমালোচনা পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তোলে, কারণ ইতিবাচক কথার চেয়ে নেতিবাচক মন্তব্যই বেশি চোখে পড়ে।
advertisement
এই কারণেই ম্যাচের দিন সকালেই গম্ভীর অভিষেককে নিয়ে পৌঁছে যান নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে। সেখানে স্থানীয় বোলাররা আগে থেকেই প্রস্তুত ছিলেন। তিনটি ১৫ মিনিটের সেশনে শর্ট লেংথ বল, রিব লাইনে বাউন্সার এবং অফ-স্পিনের বিরুদ্ধে অনুশীলন করানো হয়, যাতে ম্যাচের আগে ছন্দ ফিরে পান তিনি।
গম্ভীরের এই বাড়তি মনোযোগ শুধু কোচের দায়িত্ব নয়, অভিজ্ঞতার ফলও। কারণ তিনিও একসময় একই পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলেন। ২০১৪ সালে কলকাতা নাইট রাইডার্স-এর অধিনায়ক থাকাকালীন টানা ব্যর্থতায় আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছিলেন তিনি। পরে আবার ওপেনিংয়ে নেমে বড় ইনিংস খেলেই ছন্দে ফেরেন।
সেই অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি জানেন, খারাপ সময় সাময়িক। তাই অভিষেককে তিনি বোঝাতে চাইছেন—ব্যর্থতা মানেই শেষ নয়। বড় খেলোয়াড়দের কেরিয়ারেও ওঠানামা থাকে, গুরুত্বপূর্ণ হলো ধৈর্য রাখা এবং নিজের প্রক্রিয়ার ওপর বিশ্বাস রাখা।
আরও পড়ুনঃ Abhishek Sharma: ৩ ম্যাচে শূন্য রান! দক্ষিণ বিরুদ্ধে নামার আগে বড় ঘোষণা করে দিলেন অভিষেক শর্মা
এখন অভিষেকের সামনে সুযোগ নিজের সামর্থ্য প্রমাণ করার। কয়েকটা বল দেখে খেললেও সমস্যা নেই, প্রয়োজনে সঙ্গী ব্যাটারকে আগে স্ট্রাইক দিতে পারেন। ক্রিকেট অহংকারের নয়, ধৈর্য ও আত্মবিশ্বাসের খেলা। দলের বিশ্বাস, প্রতিভাবান এই ব্যাটার খুব তাড়াতাড়িই জোরালো প্রত্যাবর্তন করবেন।
