চতুর্থ দিনের শুরুতেই নীতিশ রেড্ডি ১১৪ রানের স্মরণীয় ইনিংস খেলে আউট হন। ভারতের প্রথম ইনিংস শেষ হয় ৩৬৯ রানে। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৩টি করে উইকেট নেন প্যাট কামিন্স, স্কট বোল্যাড ও ন্যাথান লায়ন। ১০৫ রানের গুরুত্বপূর্ণ লিড পায় ব্যাগি গ্রিনরা। সেই সময়ও অনেকেই ভাবতে পারেন জমে যাবে মেলবোর্ন টেস্ট। দ্বিতীয় ইনিংসে ভারতের বোলিং অ্যাটাক বুঝিয়ে দিল এই ম্যাচ হাল ছাড়বে না তারা।
advertisement
দ্বিতীয় ইনিংসের শুরু থেকেই জসপ্রীত বুমরাহ ও মহম্মদ সিরাজদের আগুনে বোলিংয়ের সামনে নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারাতে থাকে অস্ট্রেলিয়া। একটা সময় অস্ট্রেলিয়ার স্কোর ছিল ৯১ রানে ৬ উইকেট। তবে একদিক থেকে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন মার্নাস লাবুশেন। তাকে সঙ্গ দেন অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। নিজের অর্ধশতরানও করেন লাবুশেন। লাবুশেন-কামিন্স ৫৭ রানের পার্টনারশিপ করে অস্ট্রেলিয়াকে ম্যাচ রাখে।
এরপর লাবুশেন ও কামিন্স আউট হলেও শেষ উইকেটে লড়াই চালিয়ে যায় লায়ন ও বোল্যান্ড। একটা সময় মনে হয়েছিল ৩০০-র নীচে রান তাড়া করতে হবে ভারতকে। কিন্তু চতুর্থ দিনে শেষ উইকেট নিতে পারেনি ভারত। ক্যাচ মিস থেকে নো বলে আউট, ভাগ্য কিছুটা দিনের শেষে সাথ দেয়নি ভারতীয় বোলারদের। ৫৫ রানের গুরত্বপূর্ণ পার্টনারশিপ করে অপরাজিত থাকেন দুজনে।
পঞ্চম দিনে ৩০ মিনিট বেশি খেলা হবে। মোট ৯৮ ওভার খেলা হবে পঞ্চম দিনে। ফলে সকাল সকাল অস্ট্রেলিয়ায় শেষ উইকেট নিতে পারলে ম্যাচ জয়ের আশা থাকবে ভারতীয় দলের। তবে আক্রমণাত্মক খেলতে হবে টিম ইন্ডিয়াকে। গত অস্ট্রেলিয়া সফরে ৩২৮ রান তাড়া করতে ব্রিসবেনে জিতেছিল ভারতীয় দল। এবারও তা করে দেখাতে পারে কিনা তার উত্তর মিলবে বক্সিং ডে টেস্টের শেষ দিনে।
পঞ্চম দিনে যে টার্গেট দেবে অস্ট্রেলিয়া তা তাড়া করার জন্য বিরাট দায়িত্ব নিতে হবে রোহিত-কোহলি-রাহুলদের মত সিনিয়র ক্রিকেটারদের। সঙ্গে যশস্বী-পন্থ-রেড্ডিদের আরও একবার নিজেদের প্রমাণ করার লড়াই। বছর শেষে বক্সিং ডে টেস্টে জমজমাট লড়াই দেখার অপেক্ষায় ক্রিকেট প্রেমিরা।
