ফক্স স্পোর্টসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি এখন আর বিছানায় শয্যাশায়ী নন। ২০১৩ সালে ফরাসি আল্পসে স্কি করার সময় মাথায় গুরুতর আঘাত পাওয়ার পর থেকে শুমাখার জনসমক্ষে আসেননি। ফলে তাঁর বর্তমান শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে খুব কমই জানা গেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুমাখার এখন হুইলচেয়ারে বসতে সক্ষম। এর ফলে সাতবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নকে মায়োরকা ও লেক জেনেভার কাছে তাঁর বাসভবনগুলিতে হুইলচেয়ারে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে। তাঁর স্ত্রী কোরিন্না এবং নিবেদিতপ্রাণ একদল চিকিৎসক এখনও তাঁর দেখভাল করছেন।
advertisement
গত কয়েক বছরে তাঁর স্বাস্থ্যের অবস্থা নিয়ে তথ্যের অভাব থাকায় এমন জল্পনাও ছিল যে শুমাখার হয়তো শুধু চোখের পাতা ফেলে যোগাযোগ করতে পারেন। তবে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে অন্য ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। এক সূত্র জানিয়েছে, “তিনি তাঁর চারপাশে কী ঘটছে তার কিছুটা বুঝতে পারেন, তবে সবকিছু সম্ভবত নয়।”
দু’বছর আগে গুজব রটেছিল যে শুমাখার তাঁর কন্যা জিনা-মারিয়া’র বিয়েতে উপস্থিত হতে পারেন, কিন্তু সেই খবরগুলো পরে ভুল প্রমাণিত হয়। চলতি মাসের শুরুতে শুমাখারের জন্মদিনে জিনা-মারিয়া একটি পারিবারিক ছবি শেয়ার করেন। দুর্ঘটনার আগের সেই ছবির ক্যাপশনে লেখা ছিল, “সবচেয়ে সেরা। শুভ জন্মদিন, বাবা।”
এই সাম্প্রতিক আপডেট আসে শুমাখারের রেসিং জীবনের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত রিচার্ড হপকিন্সের এক মন্তব্যের পরই। প্রাক্তন রেড বুল অপারেশন্স প্রধান বলেন, ভক্তরা আর কখনও শুমাখারকে দেখতে পাবেন না।
আরও পড়ুন- এই প্রথম বাংলাদেশকে নিয়ে সরাসরি মুখ খুলল আইসিসি! কীভাবে ‘ভণ্ডামি’ করেছে তারা…
হপকিন্স বলেছিলেন, “আমার মনে হয় না আমরা মাইকেলকে আবার দেখব। তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে কথা বলতে আমি একটু অস্বস্তি বোধ করি। কারণ ওর পরিবার যথার্থ কারণেই বিষয়টি খুব গোপন রাখতে চায়। আমি মতামত দিতে পারি, কিন্তু আমি সেই ঘনিষ্ঠ বৃত্তের অংশ নই। আমি জঁ তদ, রস ব্রাউন বা গেরহার্ড বার্গার নই, যাঁরা মাইকেলের সঙ্গে দেখা করতে যান। আমি সেই পর্যায় থেকে অনেক দূরে।”
