পাকিস্তানও বাংলাদেশের পথ অনুসরণ করে টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়াতে পারে—এমন গুজবের জবাবে আক্রম বলেছেন, “বাংলাদেশ খেলতে চায় না বলে পাকিস্তান কেন টি২০ বিশ্বকাপ বয়কটের কথা ভাববে? বাংলাদেশের কারণে পাকিস্তান ক্রিকেট কখন কী লাভ হয়েছে? পাকিস্তান ক্রিকেটের জন্য বাংলাদেশ কী করেছে? আমি এর কোনো যুক্তি দেখি না। পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের উচিত নিজেদের খেলার দিকেই মনোযোগ দেওয়া এবং বিশ্বকাপ জয়ের চেষ্টা করা।”
advertisement
ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক মহম্মদ আজহারউদ্দিন বলেছেন, বাংলাদেশ যদি টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়, তা হলে একমাত্র ক্ষতিগ্রস্ত দল হবে বাংলাদেশই। তিনি আরও বলেন, ভারতে নিরাপত্তা নিয়ে কোনও উদ্বেগের কারণ নেই।
এএনআই-কে আজহারউদ্দিন বলেছেন, “ওরা যদি না আসে সেটা ওদেরই ক্ষতি। আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়ে ওরা অভিযোগ করতে পারে না। বহু আন্তর্জাতিক ম্যাচ এখানে চলছে, এবং কোনো দলই অভিযোগ করেনি। ওরা না এলে সেটা হবে ওদের ক্ষতি, আর ওদের খেলোয়াড়দেরও ক্ষতি। আমাদের দেশ খুবই নিরাপদ। সব দলই খেলছে। এই মুহূর্তে নিউজিল্যান্ড ভারতে খেলছে, আর দক্ষিণ আফ্রিকাও কয়েক দিন আগেই এখানে খেলেছে।”
আরও পড়ুন- Vaibhav Suryavanshi: ৬-৬-৬-৬-৪-৪-৪-৪, বিশ্বকাপে ফের বড় কান্ড ঘটালেন বৈভব সূর্যবংশী
এদিকে, ভারতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া টি২০ বিশ্বকাপ ২০২৬ না খেলার বিষয়ে দেশের অবস্থান নিয়ে বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত খেলোয়াড়দের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
বাংলাদেশের এক সংবাদমাধ্যমে শান্ত বলেন, “একজন খেলোয়াড় হিসেবে ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা অবশ্যই আছে, কারণ আমরা অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছি। শুধু আমি নই, সবাই এই অনিশ্চয়তার মধ্যে আছে। যারা দায়িত্বে আছেন—ক্রিকেট বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ করব, তারা যেন (ঘরোয়া ক্লাব ক্রিকেট নিয়ে) সমঝোতায় পৌঁছন, যাতে ক্রিকেট নির্বিঘ্নে চলতে পারে।”
