ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসে তিনি ছিলেন একজন প্রতিশ্রুতিশীল ডিফেন্ডার, যার খেলার ধরন অনেকের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস ছিল। ইলিয়াস পাশা তাঁর কেরিয়ার শুরু করেছিলেন বেঙ্গালুরু ভিত্তিক ITI দলে। ১৯৮৯ সালে তিনি মহামেডানে যোগ দেন এবং এক বছর খেলাই কলকাতার ক্লাব ফুটবলের দরজা খুলে দেয়। ১৯৯০ সালে ইস্টবেঙ্গলে দেন। ১৭ নম্বর লাল হলুদ জার্সিতে ডানদিকে রাইট ব্যাক হিসেবে অল্প সময়েই ফ্যানেদের মন জয় করে নেন। তার ওভারল্যাপ এবং ডিফেন্সে দক্ষতা প্রতিপক্ষের জন্য চ্যালেঞ্জ ছিল।
advertisement
১৯৯০ থেকে ১৯৯৮ পর্যন্ত ইস্টবেঙ্গলে খেলতে খেলতে তিনি ক্লাবের হয়ে দুটি গোল করেন, যার একটি কলকাতা ডার্বিতে। নয়ের দশকের শক্তিশালী ইস্টবেঙ্গল দলে মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য ও তরুণ দে-দের মতো তারকাদের মাঝে প্রথম একাদশে জায়গা পাওয়া সহজ ছিল না, কিন্তু পাশা তা অর্জন করেন। সতীর্থ তরুণ দে বলেন, “ঝুঁকি না নিয়ে খেলায় পারদর্শী হওয়া ও ম্যাচ রিডিং অসাধারণ ছিল পাশার বিশেষতা।”
আরও পড়ুনঃ রানে ফিরেই জোড়া মাইলস্টোন সূর্যকুমার যাদবের, আত্মবিশ্বাস বাড়ল ভারত অধিনায়কের
পাশা বিভিন্ন ট্রফি জিতেছেন, যেমন কলকাতা লিগ, IFA শিল্ড, বরদলুই ট্রফি, ফেডারেশন কাপ, ডুরান্ড কাপ এবং ডিসিএম। বাংলার হয়ে সন্তোষ ট্রফিও জিতেছেন। ক্লাব ফুটবলে সফল হলেও দেশের জার্সিতে বেশি সুযোগ পাননি। খেলার সময় চাকরির প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন এবং শেষ জীবনে আর্থিক চাপেও পড়েছিলেন, যা ইস্টবেঙ্গল ক্লাব সমাধান করেছিল। তাঁর প্রয়াণে ফুটবলের ময়দানে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
