সেই সঙ্গে দিলীপ ঘোষ বামেদেরও আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, “গান্ধিজী, বিবেকানন্দ নয়, এখন শ্যামাপ্রসাদেরও পুজো করতে হবে বামেদের। হুমায়ুন কবিরের সাথে বসে বামেরা মিটিং করছেন, নিজেদের অস্তিত্ব বাঁচানোর জন্য। সময় খারাপ এসেছে সব করতে পারে বামেরা”।
advertisement
সেই সঙ্গে বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি আরও বলেন, “এসআইআর-এর নাম শুনে তৃণমূল মনে মনে মরে গেছে। যে মরছে তাকেই এসআইআর-এর সঙ্গে জুড়ে দিচ্ছে। এই ধরনের মিথ্যা ইসু তৈরি করে বাংলার মানুষকে বোকা বানানো যাবে না। পশ্চিম বাংলার মানুষ প্রথমেই এস আই আর এর ফরম ফিলাপ করে কমপ্লিট করে দিয়েছে। রাজ্য সরকারের কর্মচারীদের ভয় দেখিয়ে উল্টোপাল্টা চিঠি দিয়ে গন্ডগোল পাকিয়ে তাই আর ঘেঁটে দেওয়ার চেষ্টা করছে তৃণমূল”।
২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন বিজেপির পাখির চোখ শিল্পই, জানালেন দিলীপ। তিনি বলেন, “শিল্প তো অবশ্যই! পাশের রাজ্য উড়িষ্যায় নতুন কোম্পানি জমি নিয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছে। কিন্তু এ রাজ্যে সমস্ত পরিকাঠামো থাকা সত্ত্বেও কেন হচ্ছে না? কারণ মানুষ এই সরকারকে বিশ্বাস করতে পারছে না”।
পাশাপাশি আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ড নিয়ে দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুকে আক্রমণ করে বলেন, “অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দমকল তৎপরতার সাথে কাজ করেছে। তাহলে এত লোকের জীবনহানি হল কেন? অবৈধ নির্মাণ হবে অবৈধ ব্যবসা হবে আপনারা কাট মানি খাবেন তারপর সাধারণ মানুষ মারা যাবে। আপনারা দোহাই দিয়ে দেবেন এটা চলতে পারে না”।
