সেই মরশুমে মাত্র ৩৪টি ম্যাচে ১৮৯৪ রান করেছিলেন সচিন। তাঁর গড় ছিল ৬৫-এর বেশি এবং স্ট্রাইক রেট ছিল ১০০-এরও উপরে, যা সেই সময়ের জন্য প্রায় অবিশ্বাস্য। তিনি ৯টি সেঞ্চুরি ও ৭টি অর্ধশতরান করেন। এত বছর পরেও এই রেকর্ড ভাঙা কারও পক্ষে সম্ভব হয়নি।
১৯৯৯ সালে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ও দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেন। তিনি ৪১টি ম্যাচে ১৭৬৭ রান করেন। বিশ্বকাপে তাঁর ১৮৩ রানের ইনিংস আজও ক্রিকেট ইতিহাসে স্মরণীয়। সৌরভের ব্যাটিং ভারতীয় দলকে এক নতুন আত্মবিশ্বাস দিয়েছিল।
advertisement
একই বছর রাহুল দ্রাবিড়ও অসাধারণ ছন্দে ছিলেন। তিনি ৪৩টি ম্যাচে ১৭৬১ রান করেন এবং ৬টি সেঞ্চুরি করেন। সৌরভের সঙ্গে তাঁর জুটি ভারতের ব্যাটিংকে আরও শক্তিশালী করে তোলে। এই সময় ভারতীয় দলের টপ-অর্ডার ছিল বিশ্বের অন্যতম সেরা।
১৯৯৬ সালেও সচিন নিজের প্রতিভার ঝলক দেখিয়েছিলেন। সেই বছর তিনি ১৬১১ রান করেন এবং ওপেনার হিসেবে নিজের জায়গা পাকা করেন। এই পারফরম্যান্সই ভবিষ্যতে তাঁকে ক্রিকেটের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।
এই তালিকায় একমাত্র বিদেশি খেলোয়াড় হলেন অস্ট্রেলিয়ার ম্য়াথু হেডেন। ২০০৭ সালে তিনি ১৬০১ রান করেন এবং বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন। তাঁর আক্রমণাত্মক খেলা অস্ট্রেলিয়াকে অনেক ম্যাচ জিততে সাহায্য করে।
আরও পড়ুনঃ IPL 2026: আইপিএল থেকে নিষিদ্ধ হয়েছে ৮ ক্রিকেটার! তালিকায় একের পর এক তারকাদের নাম
বর্তমান যুগে টি-২০ ক্রিকেটের দাপট বেড়েছে এবং ওয়ানডে ম্যাচের সংখ্যা কমেছে। ফলে খেলোয়াড়রা আগের মতো এত বেশি রান করার সুযোগ পান না। এছাড়া তিনটি ফরম্যাটে খেলার চাপও থাকে। এই সব কারণেই সচিনের ১৮৯৪ রানের রেকর্ড আজও অটুট রয়েছে এবং তা ভাঙা এখনো কঠিন চ্যালেঞ্জ হিসেবেই থেকে গেছে।
