১৩ ডিসেম্বর মেসি ইভেন্টের পর বিরাট ক্ষয়ক্ষতি হয় যুবভারতীর। মেসিকে দেখতে না পেয়ে মাঠে ভাংচুর চালান সমর্থকরা। ভাঙা হয় চেয়ার। ক্ষতি করা হয় মাঠের বিভিন্ন জায়গায়। অভিযোগ মাঠে ধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল আগুন। এই ঘটনায় তদন্ত নেমে পুলিশের তরফ থেকে মাঠের ফরেনসিক নমুনা সংগ্রহ করা হয়। বছরে শুরু থেকেই মাঠ ঠিক করার অনুমতি পুলিশের তরফ থেকে দেওয়া হয়েছে। আনুমানিক আড়াই কোটি টাকা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেই খবর। ইতিমধ্যেই মাঠের মধ্যে পড়ে থাকা যাবতীয় চেয়ার, জলের বোতল, পাথর সহ সমস্ত সামগ্রী সরিয়ে মাঠ পরিষ্কার করা হয়েছে। তবে মেসি ইভেন্টের দিন যুবভারতীতে ভাঙচুর হলেও মাঠের খেলার জায়গায় খুব বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। যেটুকু হয়েছে সেগুলি মেরামতির কাজ চলছে। প্রথমে মাঠ ঠিক করার পর, ট্র্যাক ঠিক করা হবে। তারপর চেয়ার বসানোর কাজ হবে। পুরনো চেয়ারের মধ্যে যেগুলি ঠিক রয়েছে সেগুলো লাগানো হবে।
advertisement
১৪ই ফেব্রুয়ারি থেকে আইএসএল এর ঘোষণা হয়েছে। তাই দ্রুত কাজ করা হচ্ছে। ১৫ দিনের মধ্যে মাঠ ঠিক হয়ে যাবে বলে খবর। তবে ডার্বির আগে যাতে চেয়ারগুলোকেও পুনরায় লাগিয়ে দেওয়া যায় সেই চেষ্টা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন- ‘৭৮টা ঘুমের ওষুধ কোথা থেকে এল?’ শিউরে ওঠা ঘটনা সামনে আনলেন দেবলীনার দিদি
Lionel Messi-কে ঘিরে যুবভারতীতে বিশৃঙ্খলার ঘটনা। মেসির ভারত সফরের আয়োজক শতদ্রু দত্ত গ্রেফতার, ২২ কোটি টাকা ফ্রিজ, ১০০ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়মের তদন্ত চলছে। এখনও পুলিশি হেফাজতে শতদ্রু। এসবের মাঝে মেসি এবার খোলামেলা আলোচনা করলেন নিজের ব্যাপারে।
আর্জেন্টিনার একটি সংবাদমাধ্যমে সম্প্রতি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন মেসি। সেখানে তিনি বলেছেন, আসলে কেমনভাবে মেসি জীবন-যাপন করেন! মেসি জানিয়েছেন, ভিড়ভাট্টা তিনি একেবারেই পছন্দ করেন না। মেসি বলেছেন, “আমি খুবই অদ্ভুত ধরনের মানুষ। আমি বেশিরভাগ সময় একা থাকতে ভালবাসি। বাড়িতে আমার তিন ছেলে সব সময় ঝামেলা করে। ওরা গোটা বাড়ি লণ্ডভণ্ড করে রাখে। এসবে আমার অস্বস্তি হয়। আমি সব সময় শান্তিতে থাকতে ভালবাসি।” যুবভারতীতে এসে মেসির সেই শান্তিই বিঘ্নিত হয়েছিল। মেসিকে ঘিরে সৃষ্টি হয়েছিল চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলা। এর পর মেসি নির্ধারিত সময়ের আগেই যুবভারতী ছেড়ে বেরিয়ে যান। তবে মেসি সেই সাক্ষাৎকারে ভারত সফর নিয়ে কোনও কথা বলেননি।
