এই প্রেক্ষাপটে বৃহস্পতিবার রায়পুরে পৌঁছান বিসিসিআই সভাপতি মিথুন মানহাস। সেখানে সাংবাদিকরা বাংলাদেশের সঙ্গে টানাপোড়েনপূর্ণ সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি তা এড়িয়ে যান। তিনি জানান, তার সফরের উদ্দেশ্য কেবল ভারত ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার দ্বিতীয় টি–টোয়েন্টি ম্যাচে উপস্থিত থাকা। এ বিষয়ে বিসিসিআইও এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি এবং নীরব অবস্থান বজায় রেখেছে।
advertisement
আইসিসি বুধবার বাংলাদেশকে স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে, ভারতে খেলতে না এলে তাদের টুর্নামেন্টের জায়গা হারাতে হতে পারে। আইসিসির মতে, কোনো নির্ভরযোগ্য নিরাপত্তা হুমকির প্রমাণ নেই এবং টুর্নামেন্ট শুরুর মাত্র কয়েক দিন আগে ভেন্যু পরিবর্তন করলে বড় ধরনের লজিস্টিক সমস্যা দেখা দেবে। বাংলাদেশের জায়গায় স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে বাংলাদেশের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, আইসিসির নিরাপত্তা মূল্যায়নে তারা সন্তুষ্ট নন। খেলোয়াড়, সাংবাদিক ও সমর্থকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ এখনো রয়ে গেছে বলে তিনি দাবি করেন। তার মতে, এই সিদ্ধান্ত সরকারিভাবে নেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনে শ্রীলঙ্কায় ম্যাচ হলে বাংলাদেশ খেলতে রাজি।
এই উত্তেজনা আরও বেড়েছে পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনার পর। বাংলাদেশ এটিকে উদ্বেগের বড় কারণ হিসেবে দেখালেও আইসিসি তা মানতে নারাজ। তাদের দাবি, এটি একটি অভ্যন্তরীণ লিগ–সংক্রান্ত বিষয়। সব মিলিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের ক্রিকেট সম্পর্ক এখন এক কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
