২০১৯ সালের ২৩ অক্টোবর বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট পদে বসেন সৌরভ।এক বছর পেরিয়ে স্বার্থের সংঘাত ইস্যুতে একাধিক প্রশ্নের সম্মুখীন হতে চলেছেন সৌরভ, এমনটাই বিসিসিআই সূত্রের খবর। বৈঠকে মূলত বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপন এবং প্রোমোশন নিয়ে সৌরভকে জিজ্ঞাসা করতে পারেন বোর্ড সদস্যরা। বোর্ড প্রেসিডেন্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ এবং ঐতিহ্যের চেয়ারে বসে সৌরভের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কর্মকর্তাদের প্রশ্ন, বোর্ডের সভাপতির পদে থেকে থাকার পরও কী করে বিজ্ঞাপন করছেন সৌরভ, যেগুলো সরাসরি বোর্ডের স্পনসরদের স্বার্থবিরোধী। আইপিএলের মূল স্পনসর ড্রিম ইলেভেনের প্রতিপক্ষ সংস্থার প্রমোশনে রয়েছেন সৌরভ। জেএসডব্লিউ সিমেন্টের সঙ্গে যুক্ত সৌরভ। এই জেএসডব্লিউ তো আইপিএলে দিল্লি ক্যাপিট্যালসের অন্যতম মালিক। এখানে স্বার্থের সংঘাত তো প্রবল ভাবে থাকছে বলে মনে করছেন সদস্যরা।
advertisement
যদিও সৌরভের ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, এই বাউন্সার সামলাতে তৈরি বোর্ড প্রেসিডেন্ট। বোর্ডের বার্ষিক সাধারণ সভায় যোগ দেওয়ার আগে রীতিমতো আইনি পরামর্শ নিয়েই সৌরভ গিছেন বলে মহারাজের ঘনিষ্ঠ সূত্রে খবর। সৌরভের বিরুদ্ধে বোর্ডের স্পনসরের প্রতিপক্ষ সংস্থার সঙ্গে যুক্ত থাকা নিয়ে অভিযোগ থাকলেও বোর্ডের সঙ্গে যুক্ত সংস্থার তরফ থেকে এই অভিযোগ নাকচ করা হয়েছে। তাদের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, সৌরভের সঙ্গে তাদের প্রতিপক্ষ সংস্থা যুক্ত থাকলেও কোনও সমস্যা নেই। এমন ঘটনার পর মনে করা হচ্ছে বৈঠকের আগেই প্রথম রাউন্ডের লড়াই জিতে গেছেন সৌরভ।
সৌরভের বিষয়ে আলোচনার পাশাপাশি বোর্ডের বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ একাধিক বিষয়ে সিদ্ধান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেটারদের আগামী বছরের সিরিজের ক্যালেন্ডার তৈরি। ভারতে ২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন। জাতীয় নির্বাচক কমিটির শূন্যপদ পূরণ। অলিম্পিকে ক্রিকেট শুরুর ব্যাপারে বোর্ডের মতামত নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা বৈঠকে। আলোচনায় উঠে আসবে আগামী বছর আইপিএলের দলের সংখ্যা বাড়ানোো হবে।ঘরোয়া ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা। এদিকে ভারতীয় ক্রিকেটারদের সংস্থা থেকে আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের জন্য মনোনীত হচ্ছেন প্রাক্তন ক্রিকেটার প্রজ্ঞান ওঝা। সর্বসম্মতভাবে বোর্ডের সহ সভাপতি হচ্ছেন রাজীব শুক্লা।
