টি-২০ বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হওয়ার পর ক্রিকেটাররা খুব শিগগিরই আসিফ ও বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিতে পারেন বলে খবর।
এর আগে ২২ জানুয়ারি ঢাকায় বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠকের পর আসিফ নজরুল বলেছিলেন, “আমরা আশা করছি আইসিসি আমাদের শ্রীলঙ্কায় খেলার সুযোগ দেবে। ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত আমাদের সরকারের। আমাদের উদ্বেগ নিরাপত্তা নিয়ে। কিন্তু আইসিসি সেগুলো স্বীকার করেনি।”
টি-২০ বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে বাংলাদেশ সরকার দলকে ভারতে পাঠাবে না বলে জানায়। দুদিন পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) বিশ্ব টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে। তবে ১০ ফেব্রুয়ারি নজরুল অবস্থান পরিবর্তন করে দাবি করেন, ভারতে ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত বিসিবি ও ক্রিকেটাররাই নিয়েছিলেন।
advertisement
ক্রিকবাজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “বিশ্বকাপ না খেলা নিয়ে অনুতাপের কোনো প্রশ্নই ওঠে না। দেশের ক্রিকেটের নিরাপত্তা, জনগণের নিরাপত্তা এবং জাতীয় মর্যাদা রক্ষার জন্য বিসিবি ও খেলোয়াড়রা ত্যাগ স্বীকার করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।”
আসিফ আরও যোগ করেন, বাংলাদেশের ক্রিকেটের ওপর কোনো শাস্তি না দেওয়ার আইসিসির সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত একটি বড় পদক্ষেপ। তিনি আরও বলেছেন, “আইসিসি বলেছে কোনো নিষেধাজ্ঞা থাকবে না এবং বাংলাদেশকে একটি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট আয়োজনের বিষয়েও বিবেচনা করা হবে। এটি একটি অসাধারণ সাফল্য। আমি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে স্যালুট জানাই।”
উল্লেখ্য, আসিফের সঙ্গে বৈঠককে ‘অগণতান্ত্রিক’ বলেছিলেন বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা। এখনও পর্যন্ত আসিফের এই বিভ্রান্তিকর অবস্থান পরিবর্তন নিয়ে কোনও বাংলাদেশি ক্রিকেটার প্রকাশ্যে প্রতিক্রিয়া জানাননি। তবে ২২ জানুয়ারি ক্রীড়া উপদেষ্টার সঙ্গে হওয়া বৈঠকটি গণতান্ত্রিক ছিল না বলে তারা অভিযোগ করেছিলেন।
আরও পড়ুন- পাকিস্তানের ‘ইউ টার্ন’ নিয়ে এই প্রথম মুখ খুলল বিসিসিআই! বোর্ড কর্তা যে কথাটা বললেন…
বৈঠকে উপস্থিত এক ক্রিকেটার ক্রিকবাজকে বলেন, “শুরুতে যেভাবে বলা হয়েছিল, আমাদের সম্মতি নেওয়ার জন্য এই বৈঠক ডাকা হয়নি। বরং পরিস্থিতি সম্পর্কে আমাদের অবগত করার জন্যই ডাকা হয়েছিল। তারা বৈঠকে আসার আগেই কী করবে তা ঠিক করে রেখেছিল। আমাদের মতামত বিবেচনায় নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এমনটা নয়।”
