এই সেতুকে ঘিরে বাংলাদেশের সকল স্তরের মানুষের আবেগ অপরিসীম। এবার সেই আবেগের বহিঃপ্রকাশ দেখা গেল বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের অধিনায়ক ও বিশ্বখ্যাত অলরাউন্ডার সাকিব-আল-হাসানের মধ্যে। এই মুহূর্তে বাংলাদেশ দল আছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে। সেই সুদূর ক্যারিবিয় দ্বীপপুঞ্জ থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সাকিব তাঁর ফেসবুক পেজে লিখেছেন, এবার বাড়ি ফেরার আনন্দটা অন্য সময়ের চেয়ে একদম আলাদা। তাই না?
advertisement
এবার স্বপ্নের সেতু ধরে স্বপ্ন যাবে বাড়ি! কেবলমাত্র সাকিব-আল-হাসানই নন বাংলাদেশের সুশীল সমাজ থেকে সাধারণ মানুষ, প্রত্যেকে এই সেতুকে ঘিরে এক উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখছেন। বিশেষ করে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের মানুষদের কাছে এই সেতুর সম্পূর্ণ হওয়া এক স্বপ্ন পূরণের মতো।
কারণ এই সেতু চালু হওয়ার পরে দেশটির দক্ষিণ অংশের ২১টি জেলার সঙ্গে দেশের বাকি অংশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তণ আসতে চলেছে। এই সেতু বাংলাদেশের মানুষের কাছে গর্বেরও বিষয়। এই সেতু প্রকৃত অর্থেই বাংলাদেশের মানুষের নিজস্ব সম্পদ।
কারণ বিশ্ব ব্যাংক সেতু নির্মাণের প্রকল্প থেকে হাত তুলে নেওয়ার পর সম্পূর্ণ বাংলাদেশের সরকারের আর্থিক সহযোগিতায় গড়ে উঠছে এই সেতু। সেতুকে ঘিরে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হয় কিনা আগামীদিন তার উত্তর দেবে। তবে ক্রিকেটার থেকে ফুটবলার, বিভিন্ন খেলোয়াড় রোমাঞ্চিত এই সেতুকে নিয়ে।
সাকিব আল হাসান আপাতত জানিয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ভাল পারফর্ম করা তাদের একমাত্র লক্ষ্য। বছরের শেষে অস্ট্রেলিয়ায় হবে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। সেখানেও নিজের সেরাটা তুলে ধরার ব্যাপারে লড়াই করবে বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানিয়েছেন সাকিব আল হাসান এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।
