এই প্রসঙ্গে ইউনুস সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল সোশ্যাল মিডিয়ায় সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, “ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী হিসাবে আমি ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডকে বলেছি, বাংলাদেশের একজন ক্রিকেটার চুক্তিবদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও যেখানে ভারতে খেলতে পারেন না। সেখানে বাংলাদেশের গোটা ক্রিকেট টিম বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়া নিরাপদ মনে করতে পারে না।”
একইসঙ্গে আসিফ নজরুল আরও জানিয়েছেন, বাংলাদেশের আইপিএল সম্প্রচার যেন বন্ধ করে দেওয়া হয় সেই অনুরোধও করা হবে তথ্য এবং সম্প্রচার উপদেষ্টাকে।
advertisement
যদিও বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া আগেই জানিয়ে দিয়েছেন, মুস্তাফিজুরকে নিয়ে বিসিসিআইয়ের সিদ্ধান্তের প্রভাব বিশ্বকাপে পড়বে না। তাছাড়া এখন আইসিসির চেয়ারম্যান ভারতের জয় শাহ। তিনি একই সঙ্গে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পুত্রও। ফলে বাংলাদেশ যদি আইসিসি-র দ্বারস্থ হয়, তাতেও কতটা লাভ হবে সংশয় থাকছে। উলটে বিশ্বকাপে বাংলাদেশ না খেলতে চাইলে তাঁদের বাদ দিয়েও বিশ্বকাপ করার পরিকল্পনা করা হতে পারে।
