মন্ত্রী টনি বার্ক বলেন, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ভোরে অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল পুলিশ খেলোয়াড়দের গোল্ড কোস্টের একটি হোটেল থেকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে তাদের সঙ্গে সরকারের প্রতিনিধিদের আলোচনা হয় এবং পরে তাদের ভিসার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। ব্রিসবেনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় বার্ক জানান, দলের অন্য সদস্যদের জন্যও একই সুযোগ খোলা রয়েছে।
advertisement
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, ইরানের মহিলা ফুটবল দলে প্রায় ২০ জন খেলোয়াড় ছিলেন। প্রতিযোগিতা শেষ হওয়ার পর তাদের যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে ফিরে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। এই পরিস্থিতিতে অস্ট্রেলিয়ায় থাকা ইরানি সংগঠনগুলো এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প খেলোয়াড়দের আশ্রয় দেওয়ার আহ্বান জানান। এরপরই অস্ট্রেলিয়া সরকারের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
প্রতিযোগিতা চলাকালীন খেলোয়াড়রা দেশের পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশ্যে খুব বেশি মন্তব্য করেননি। তবে এক সাংবাদিক সম্মেলনে দলের ফরোয়ার্ড সারা দিদার আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, যুদ্ধের সময় নিজেদের পরিবার, বন্ধু এবং দেশের মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে তারা খুবই উদ্বিগ্ন।
দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের আগে জাতীয় সঙ্গীত চলাকালে ইরান দলের নীরব থাকা নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়। কেউ এটিকে প্রতিবাদের ইঙ্গিত হিসেবে দেখেছেন, আবার কেউ শোক প্রকাশ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন। যদিও দলটির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। পরবর্তী দুই ম্যাচে অবশ্য তারা জাতীয় সঙ্গীত গেয়েছেন।
আরও পড়ুনঃ Gautam Gambhir: দেশকে ২টি আইসিসি ট্রফি দিলেন, এবার কী? কোচিং কেরিয়ার নিয়ে বড় ঘোষণা গম্ভীরের!
মন্ত্রী টনি বার্ক বলেন, অস্ট্রেলিয়ায় এই খেলোয়াড়রা খুবই জনপ্রিয় এবং সবাই তাদের পাশে দাঁড়াতে চায়। তবে তিনি স্বীকার করেন, খেলোয়াড়দের সামনে খুব কঠিন সিদ্ধান্ত রয়েছে। তারা চাইলে অস্ট্রেলিয়ার কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে আশ্রয়ের আবেদন করতে পারবেন। সরকারের পক্ষ থেকে সেই সুযোগ সব সময়ই খোলা রাখা হয়েছে।
