দল থেকে নিয়মিত বাদ পড়া প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে অর্শদীপ বলেন, দলে আসা–যাওয়ার যেমন কিছু সুবিধা আছে, তেমনই তাঁর বলও ইন-সুইং ও আউট-সুইং করে। এই মন্তব্যে উপস্থিত সবাই হেসে ওঠে। পরিসংখ্যানের দিক থেকে দেখলে, ৭৩টি টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে ১১১ উইকেট নিয়ে তিনি এখনও ভারতের সবচেয়ে সফল বোলার এই ফরম্যাটে। তবুও দলগত কম্বিনেশন ও কৌশলের কারণে তাঁকে অনেক সময় বাইরে বসতে হয়েছে, বিশেষ করে গম্ভীর কোচ হওয়ার পর থেকে।
advertisement
২০২৫ সালে ভারতের হয়ে ২১টি টি-টোয়েন্টির মধ্যে ১৩টিতে খেলেছেন অর্শদীপ। এশিয়া কাপে ভালো রেকর্ড থাকা সত্ত্বেও তাঁকে বেশিরভাগ সময় বেঞ্চে থাকতে হয়েছে। এ নিয়ে হতাশ না হয়ে তিনি পেশাদার মানসিকতার পরিচয় দেন। অর্শদীপ বলেন, তাঁর কাজ হলো সব সময় প্রস্তুত থাকা এবং দল যখনই চাইবে, যে কোনো ফরম্যাটে বল করার জন্য তৈরি থাকা। দল নির্বাচন তাঁর হাতে নেই, তাই সেটি নিয়ে চিন্তা না করে নিজের পারফরম্যান্স ও প্রস্তুতির দিকেই মন দেন তিনি।
বিভিন্ন কন্ডিশনে বোলিং করা যে কতটা চ্যালেঞ্জিং, সেটাও খোলাখুলি জানান অর্শদীপ। ব্যাটিং সহায়ক পিচে বোলারদের জন্য পরিস্থিতি কঠিন হয়ে ওঠে বলেই তাঁর মত। টিম মিটিংয়ে পরিকল্পনা তৈরি হয় এবং ম্যাচের দিনে সেই পরিকল্পনা ঠিকভাবে কার্যকর করাই আসল কাজ। কোন পিচে কোন ব্যাটারের বিরুদ্ধে কী কৌশল কাজে দেবে, তা বোঝার ওপর জোর দেন তিনি। পরিকল্পনা কাজ না করলে, পরের ম্যাচে পরিবর্তন আনার কথাও বলেন এই পেসার।
দলের সাফল্যের জন্য নমনীয়তাকেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন অর্শদীপ। পরিস্থিতি অনুযায়ী কৌশল বদলানো এবং মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকাই দলের মূল মন্ত্র বলে জানান তিনি। আলোচনার শেষে হালকা মেজাজে সতীর্থ অভিষেক শর্মার কথাও উল্লেখ করেন অর্শদীপ। নেটে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যাট করতে অভিষেক নাকি চান না, যা শুনে অর্শদীপ মজা পান। সতীর্থকে এই স্তরে সফল হতে দেখে তিনি যে সত্যিই খুশি, সেটাও স্পষ্ট করে দেন।
