গত বছর কলম্বিয়ার বিপক্ষে কোপা আমেরিকার সেমিফাইনালে টাইব্রেকারের কথা মনে করেই দেখুন না। একেবারে বলে দিয়ে তিনটি পেনাল্টি ঠেকিয়েছেন মার্তিনেজ। শুধু তা-ই নয়, কলম্বিয়ান ডিফেন্ডার ইয়েরি মিনার শট ঠেকানোর আগে তাঁকে রীতিমতো স্লেজিং করে দিশাহারা করে দিয়েছেন। ‘আমি তো জানি তুমি কোন দিকে শট নেবে। শট তো ফেরাবই, আমি তোমাকে জ্যান্ত খেয়ে ফেলব’— এমন আগুনে চরিত্র বর্তমান আর্জেন্টিনা দলের গোলরক্ষক।
advertisement
৬ ফুট তিন ইঞ্চি লম্বা। কিন্তু এত বড় শরীর এদিক থেকে ওদিক করতে পারেন নিমেষের মধ্যে। আর্জেন্টিনা সেই কোপা জিতে ঘুচিয়েছিল ২৮ বছরের শিরোপা-খরা, মার্তিনেজ হয়েছিলেন টুর্নামেন্টের সেরা গোলরক্ষক। ফাইনালে এমিলিয়ানোকে হারাতে পারেনি নেইমারের ব্রাজিল। এরপর ইতালিকে হারিয়ে জিতেছে লা ফিনালিসিমার ট্রফিও।
যত সময় গিয়েছে আর্জেন্টিনার গোলের তলায় এমিলিয়ানোর প্রভাব বেড়েছে রোজ।সৌদি আরবের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে যখন সেই স্বপ্নের পথে যাত্রা শুরু হবে মার্তিনেজের, কিছুটা আবেগাপ্লুত হতেও দেখা যেতে পারে তাঁকে, বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচটা খেলতে যখন মাঠে নামব, নিজেকেই মনে মনে বলব, তুমি পেরেছ। যখন জাতীয় সংগীত বাজবে, হয়তো আমার চোখে জল চলে আসবে।
এটা আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে স্মরণীয় দিন হতে যাচ্ছে। স্বয়ং লিওনের মেসি বলে দিয়েছেন আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ দিতে পারে এমিলিয়ানোর দুটো হাত। আমার থেকেও দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য মার্টিনেজ। এরপর আর কোন সার্টিফিকেটের প্রয়োজন থাকতে পারে?
