অনয়া, যিনি একজন ক্রিকেটার এবং ট্রান্স-রাইটস সমর্থক, দীর্ঘদিন যাবৎ নিজের লিঙ্গ পরিচয় এবং ট্রান্সিশন যাত্রা সম্পর্কে খোলাখুলি আলোচনা করে আসছেন। তিনি বলেছেন, সার্জারি নেওয়ার সিদ্ধান্ত থেরাপি ও ব্যক্তিগত বোঝাপড়ার পর এসেছে।
তিনি আরও বলেছেন, এই gender-affirming সার্জারি (vaginoplasty) তিনি থাইল্যান্ডে করাবেন এবং সেখানে কমপক্ষে এক মাস থাকতে হবে। সার্জারিরর পর তিনি অন্তত ৬ মাস ক্রিকেট খেলতে পারবেন না।
advertisement
অনয়া তাঁর সমর্থনের জন্য পরিবারের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর ছোট ভাই অথর্ব সব সময়ই তাঁর পাশে ছিলেন। এখন তাঁর মা ও বাবা দু’জনেই তাঁকে পূর্ণভাবে সমর্থন করছেন। তাঁর বাবা সঞ্জয় বাঙ্গার সার্জারির সম্পূর্ণ খরচ বহন করবেন।
অনয়ার আশা এই যাত্রা অন্যান্য ট্রান্স নারীদের জন্যও সহায়ক হবে, এবং লিঙ্গ পরিচয় নিয়ে পরিবারগুলোর মধ্যে বোঝাপড়া ও আলাপ বাড়াতে সাহায্য করবে। লিঙ্গ-স্বীকৃতি সার্জারি কঠিন প্রসেস।
অনয়া ২০২১ সালে লিঙ্গ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। সেই সময় ‘হরমোনাল রিপ্লেসমেন্ট সার্জারি’ হয় তাঁর। সেটি ছিল ১০ মাসের প্রক্রিয়া। সেই সময় তাঁর বাবা সঞ্জয় বাঙ্গার নাকি বলেছিলেন, ক্রিকেটে তাঁর আর কোনও জায়গা হবে না কখনও। সেই সময় বাবাকে নিয়ে কথাও বলতে চাইতেন না অনয়া।
আরও পড়ুন- এই নিয়ে টানা ৬বার! আবার বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারত, আফগানিস্তানের ৩১০ রান চেজ করে দিলেন বৈভবরা
বিশ্বব্যাপী চিকিৎসা সংগঠনগুলো gender-affirming care-কে বৈধ ও প্রমাণভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবার একটি অংশ হিসেবে স্বীকার করে। এক্ষেত্রে পরিবারের সমর্থন অনেক কিছু বদলে দিতে পারে। পরিবারের সমর্থন থাকলে উদ্বেগের মাত্রা হ্রাস পায়। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, বাবা-মার সমর্থন এই ধরণের সার্জারির পর রোগীকে মানসিক শান্তি দেয়।
