গত ডিসেম্বরে ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর কাছ থেকে ‘ফিফা শান্তি পুরস্কার’ পেয়েছিলেন। সেই তিনিই ইরানের উপর এই অভিযানকে একটি ‘যুদ্ধ অভিযান’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
উল্লেখ্য, এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (এএফসি) মাধ্যমে বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে ইরান। গ্রুপ ‘জি’-তে বেলজিয়াম, নিউজিল্যান্ড ও মিশরের বিরুদ্ধে কেলবে তারা। কিন্তু আমেরিকা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করার ফলে ফিফা মহাসচিব ম্যাথিয়াস গ্রাফস্ট্রম বলেছেন, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে।
advertisement
শনিবার ওয়েলসের কার্ডিফে ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ডের বার্ষিক সাধারণ সভায় গ্রাফস্ট্রম বলেন, ‘আমি আজ সকালে ইরান সম্পর্কে খবরটি সেভাবেই পড়েছি যেভাবে আপনারা পড়েছেন। সবটা আগে দেখতে হবে, বুঝতে হবে।’
তিনি আরও বলেছেন, ’আজ আমাদের একটি বৈঠক ছিল এবং বিস্তারিত মন্তব্য করা এখনই ঠিক হবে না, তবে আমরা বিশ্বের চারপাশের সকল সমস্যার ওপর নজর রাখব। আমরা ওয়াশিংটনে ফাইনাল ড্র করেছি, সেখানে সব দল অংশগ্রহণ করেছিল এবং আমাদের লক্ষ্য সব দলের অংশগ্রহণে একটি নিরাপদ বিশ্বকাপ নিশ্চিত করা।’
এদিকে, ইরানি ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি মেহেদী তাজ জুনে ২০২৬ বিশ্বকাপে ইরানের যোগ্যতা অর্জনের সম্ভাবনা নিয়ে তীব্র সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তেহরান টেলিভিশনে তাজ বলেছেন: “যা ঘটেছে তাতে বিশ্বকাপের লক্ষ্য নির্ধারণ করা আমাদের পক্ষে কঠিন। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া এখনই কঠিন।” তিনি আরও জানান, জাতীয় লিগ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।
আরও পড়ুন- যে জিতবে সে সেমিতে! ইডেনের রেকর্ড কী বলছে? ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচের বড় আপডেট
গ্রুপ জি-তে থাকা ইরানের ম্যাচ ১৫ জুন নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধএ, ২১ জুন বেলজিয়াম (লস অ্যাঞ্জেলেসে) এবং ২৬ জুন মিশরের মুখোমুখি হওয়ার কথা রয়েছে। ইরান অ্যারিজোনার টাকসনের কিনো স্পোর্টস কমপ্লেক্সে অবস্থান করার পরিকল্পনা করেছিল। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে, ইরান ৩রা জুলাই নকআউট রাউন্ডে ডালাসে সরাসরি মার্কিন দলের মুখোমুখি হতে পারে। যদি ইরান ২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে নাম প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়, তাহলে ইরাক সরাসরি গ্রুপ পর্বে উন্নীত হতে পারে।
