প্রতি শনি-মঙ্গলবার এই জায়গার ভিড় হার মানাতে পারে যে কোনও প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রকেও। বুড়ির এক ফুঁয়ে জুড়ে যায় ভাঙা হার। শুধু তাই নয়, ব্যথা-বেদনা শারীরিক সমস্যারও ফু দিয়েই সমাধান করেন উত্তর ২৪ পরগনা জেলার মছলন্দপুরের বৃদ্ধা লক্ষ্মী মণ্ডল। যদিও এই নামে না চিনলেও সকলে তাঁকে চেনেন হাড় ভাঙাবুড়ি নামেই। প্রতি সপ্তাহের মঙ্গল এবং শনিবার ভোর থেকে সন্ধ্যা অবধি মছলন্দপুরের ঘোষপুর এলাকায় দূরদূরান্ত থেকে মানুষজন ভিড় জমান।
advertisement
শুধু হাড় ভাঙা রোগীরা নন, শারীরিক অসুস্থতা নিয়েও নানা ধরনের মানুষই সমস্যা সমাধানে আসেন এখানে। সঙ্গে নিয়ে আসতে হয় সর্ষের তেল ও কালো কার। বিশেষ গাছের শিকড় ও হাড়ভাঙ্গা বুড়ির ” ফু “দেওয়া তেলেই নিরাময় হয় নানা কঠিন শারীরিক সমস্যার বলে দাবি। এমনকী বড় বড় হাসপাতাল ও নার্সিংহোম থেকে ফেরত আসা অ-সফল অস্ত্রোপচার রোগীদেরও হাড় জুড়ে সুস্থ করে দিয়েছেন লক্ষ্মী দেবী এমনটাও দাবি উপকার পাওয়া রোগী ও রোগী পরিবারদের।
আরও পড়ুন: রান্নাঘরের তেল চিটচিটে ন্যাকড়া না কেচে কাজ চালিয়ে নিচ্ছেন? শরীরে এই রোগ বাসা বাঁধতে পারে!
প্রায় তিন পুরুষ ধরে স্বপ্নাদেশে পাওয়া এই বিশেষ মন্ত্র বলেই এখনও মানুষদের সেবা করে চলেছেন বৃদ্ধা। জেলা এমনকী নানা রাজ্য থেকেও এখন রোগীরা এই বুড়ির কাছে আসেন শারীরিক সমস্যা নিবারণের জন্য। যত দিন বাড়ছে, ততই যেন হাড়ভাঙা বুড়ির এই বাড়িতে বাড়ছে রোগীর ভিড়। এলাকার বহু মানুষ এখন এই হাড়ভাঙা বুড়িকে কেন্দ্র করে রীতিমতো ব্যবসাও চালাচ্ছেন। এলাকায় দেখা গেল তেল, কালো কার থেকে শুরু করে বিভিন্ন খাবারের পসরা নিয়ে বসেছেন অনেকে।
Rudra Nrayan Roy





