যাদের হাতে হাথরসকাণ্ড ঘটে, যাদের হাতে উন্নাওকাণ্ড ঘটে, তাঁদেরকে যোগ্য জবাব দেওয়ার আহ্বান জানান অভিষেক। দলের কর্মী-সমর্থকদের মনোবল বাড়াতে অভিষেকের সরাসরি চ্যালেঞ্জ, 'যাঁদের রাজ্যে মহিলারা লাঞ্ছিত, ধর্ষিত, বঞ্চিত তাঁরা জয় সিয়া রাম বলে দেখান। রামের আগে সীতার নাম নিয়ে নারীকে সম্মান দেওয়ার ক্ষমতা আপনাদের নেই।' রামের নামে ধ্বনি দেয় যাঁরা, তাঁরা বলছেন দুর্গার পিতৃপরিচয় নেই? কটাক্ষ অভিষেকের।
advertisement
কোচবিহারের সভায় অমিত শাহের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণের প্রসঙ্গ টেনে এনে অভিষেকের পাল্টা, 'অমিত শাহ বলেছেন, মমতাজিও জয় শ্রীরাম বলবেন। আমিও বলছি, তোমাদের দিয়ে জয় সিয়া রাম বলিয়ে ছাড়ব।' বাংলার মানুষকে ১৮ হাজার টাকা দিয়ে কেনার চেষ্টা করছে বিজেপি। এদিনের সভা থেকে দাবি করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, 'ভোটে জিতলে ১৮ হাজার টাকা করে দেওয়ার কথা বলছেন অমিত শাহ। বাংলার মানুষকে এ ভাবে কেনা যায় না।'
শুক্রবার রাজ্যসভায় দীনেশ ত্রিবেদীর নাটকীয় ভাবে তৃণমূল ত্যাগ করার ঘটনাকেও এদিন কটাক্ষ করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, 'তৃণমূল কংগ্রেসে থাকতে দম বন্ধ হয়ে আসছে, আর গিয়ে বিজেপির আইসিইউ-তে ভরতি হয়ে যাচ্ছে। কারা বিজেপি-র সঙ্গে ভিতরে ভিতরে যোগাযোগ রাখছিল দেখলেন তো? দলের স্টিয়ারিং এখন একা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে।' মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জীবনযাত্রা এবং বিজেপি নেতাদের জীবনযাত্রার পরিবর্তন নিয়ে তুলনা টেনেছেন অভিষেক। তাঁর কথায়, '৫ ফুট ২ ইঞ্চির মহিলা, টালির ছাদের নীচে থাকেন, হওয়াই চটি পরে গ্রামাঞ্চলে ঘুরে বেড়ান, তাঁর বিরুদ্ধে মোকাবিলা করতে বাইরে থেকে লোক আনতে হচ্ছে বিজেপিকে।' মমতার সরকারের উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরে অভিষেকের দাবি, 'দিলীপ ঘোষের বাড়ির লোকই স্বাস্থ্যসাথী কার্ড করাচ্ছেন। উত্তরপ্রদেশের গুটখার থুতুতে বাংলার লোহায় জং ধরবে না। আগামী ৫০ বছর বাংলায় তৃণমূল থাকবে।'
