কম্যান্ডো হাসপাতালে শনিবার ময়নাতদন্ত করা হয় অর্জুন চৌরাসিয়ার দেহের। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট পাওয়ার পর জানা যাবে খুন না আত্মহত্যা, না অন্য কোনও ভাবে মৃত্যু। অর্জুন চৌরাসিয়ার দেহ যাঁর প্রথম চোখে পড়ে, সেই কানহাইয়াকে সঙ্গে নিয়ে অর্জুনের দেহ দেখার বিষয়টি শুক্রবার যাচাই করে দেখে পুলিশ। তদন্তকারীরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সঙ্গে ছিলেন লালবাজারের গুন্ডাদমন শাখার আধিকারিকরা। ঘটনাস্থলে পাঁচিলের গায়ে সিসি ক্যামেরা ও সামনে সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে, যাতে ঘটনাস্থল থেকে প্রমান লোপাট না হয়। শনিবার মৃতের মা লক্ষ্মী চৌরাসিয়া জানান, "পুলিশের উপর ভরসা নেই। সিবিআই তদন্ত চাই। পুলিশ এখন ক্যামেরা লাগিয়ে কী দেখবে? "
advertisement
আরও পড়ুন: আপনার আধার কার্ড আসল না নকল! নিজে নিজেই পরীক্ষা করে নিন, বাঁচুন বড় বিপদ থেকে
ঘটনাস্থলে হোমিসাইড শাখার আধিকারিকরাও পরিদর্শন করেব। থ্রিডি স্ক্যানার লেজার ইমেজিং পদ্ধতি ব্যবহার করেন হোমিসাইড শাখার আধিকারিকরা । এই থ্রি-ডি পদ্ধতি এর আগে কলকাতা পুলিশ আরসালান পথ দুর্ঘটনা, গড়িয়াহাটে সুবীর চাকি ও চালককে খুনের ঘটনায় ব্যবহার করেছিল। সাম্প্রতিককালে বগুটুই অগ্নি সংযোগকাণ্ডে সিবিআই থ্রি-ডি লেজার ইমেজিং পদ্ধতি ব্যবহার করেছিল। এ বার কলকাতা পুলিশ অর্জুনের রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় সেই থ্রি-ডি পদ্ধতি ব্যবহার করল। কারণ এর মাধ্যমে জটিল ঘটনার ক্ষেত্রে একটা পূর্বাভাস বা ঘটনার রিকনস্ট্রাকশন পেতে পারেন তদন্তকারীরা। অর্থাৎ সেসময় কী পরিস্থিতি ছিল? কোথা থেকে কে, কী ভাবে এসেছিল? কোন দিক থেকে এসেছিল? সেই সম্পর্কে অত্যাধুনিক থ্রি ডি ক্যামেরা মাধ্যমে চতুর্দিকের ছবি তুলে একটা আভাস পাওয়া যায়।
আরও পড়ুন - 'গ্রেট ইন্ডিয়ান লুঠ!' রান্নার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে কেন্দ্রকে আক্রমণ মমতার, ট্যুইটে তীব্র আক্রমণ
এ ছাড়াও আশেপাশের ওই রেল আবাসনের বাসিন্দাদের বয়ান রেকর্ড করে লালবাজারের হোমিসাইড শাখার আধিকারিকরা। আশেপাশের বাসিন্দারা জানান, "বাড়িতে কোনও ঝামেলা ছিল না বা পাড়ার কারও সঙ্গে ঝামেলা ছিল না।" তাহলে কী কারণে এই রহস্যমৃত্যু? খুন নাকি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনও রহস্য? ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট পেলে তার ভিত্তিতেই তদন্ত প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাবেন চিৎপুর থানার আধিকারিকরা। কারন কীভাবে মৃত্যু তা ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর স্পষ্ট হবে।
ARPITA HAZRA
