আরও পড়ুন: মাদ্রাসায় গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট ক্লাস নাইনের ছাত্র, শেষ রক্ষা হল না
প্রতি মাসে এই অসহায় দম্পতির ওষুধের জন্যই খরচ হয় প্রায় চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা। যার সবটুকু আসে এই দোকান থেকেই। ফলে সংসারের বাকি খরচ চালাতে রীতিমত হিমশিম খেতে হয় তাঁদের। এই বিষয়ে আক্ষেপের সঙ্গে মাধবী দেবনাথ বলেন, কোনওরকমে চায়ের দোকান চালাচ্ছি। ক্ষমতা নেই একটা দোকান করার। স্বামীও খুবই অসুস্থ। দু’জনে মিলেই এখন দোকান চালাতে হয়। এমন অবস্থা একটা বড় ডাক্তার দেখানোরও ক্ষমতা নেই।
advertisement
আরও খবর পড়তে ফলো করুন
https://whatsapp.com/channel/0029VaA776LIN9is56YiLj3F
জানা গিয়েছে এই দম্পতি কাটোয়া শহরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তাঁদের বাড়ির অবস্থাও খুব খারাপ। কর্গেটের চাল এবং ত্রিপল দিয়ে ঘেরা বাড়ি। বর্তমানে বাড়িতে সদস্য বলতে তাঁরা দু’জনেই। বহু কষ্টে দুই মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন। তবে এখন আর তাঁদের পাশে থাকার মত কেউ নেই। অভাবকে সঙ্গী করেই কাটোয়া শহরের বিএলআরও অফিসের পাশে দুজনে মিলে কোনরকমে চায়ের দোকান চালাচ্ছেন। দুজনের পরিস্থিতি এতটাই খারাপ একটা ছোট্ট দোকান করারও সামর্থ্য নেই। তাই গাছের নিচে ত্রিপল টাঙিয়ে কোনওরকমে ব্যবসা করছেন তাঁরা। এই প্রসঙ্গে মাধবী দেবনাথ আরও বলেন, তাঁদের বাড়ির অবস্থাও ভাল নয়। বর্ষাকালে বাড়ির মধ্যে জল ঢোকে। মেয়ে জামাই কেউ তাঁদের খেয়াল রাখেন না । নিজেদেরকেই কষ্ট করে চলতে হয়। যদি একটা ভাল ঘর থাকত, তাহলেও শেষ জীবনটা হয়ত ভাল ভাবে কাটত।
বনোয়ারীলাল চৌধুরী





