লাগাতার বৃষ্টির কারণে ইছামতি, যমুনা এবং পদ্মা নদীতে জল বৃদ্ধির কারণে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে স্বরূপনগরে। ত্রিপুল মির্জাপুর গ্রাম পঞ্চায়েত, গোবিন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েত, শুগুনা গ্রাম পঞ্চায়েত, চারঘাট গ্রাম পঞ্চায়েতের বেশ কিছু অঞ্চল বন্যা পরিস্থিতির কবলে পড়েছে৷
advertisement
চারঘাট গ্রাম পঞ্চায়েতের দিয়াড়া গ্রামে পরিস্থিতি ভয়াবহ৷ প্রায় এক হাজার বাড়িঘর জলের তলায়। সাধারণ মানুষের অভিযোগ ১৫ থেকে ১৬ দিন এই বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হলেও এখনও পর্যন্ত তাঁরা কোনো রকম সরকারি পরিষেবা পাননি। সরকারিভাবে কোন আশ্রয়ের ব্যবস্থাও করা হয়নি৷
আরও পড়ুন: ইঁদুরের যম, মাত্র ১০ টাকা খরচ করলেই ঘরের ত্রি সীমানায় থাকবে না, রইল বিশেষজ্ঞের পরামর্শ
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ এখনও পর্যন্ত কোনও ত্রিপলের ব্যবস্থা করা হয়নি, কোন ত্রাণের ব্যবস্থাও নেই। যার জেরে ক্ষোভে ফেটে পড়েছে দেয়াড়া গ্রামের মানুষ৷
গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান জানান, ‘‘আমরা বিডিও সাহেবকে জানিয়েছি তিনি আশ্বাস দিয়েছেন যত দ্রুত সম্ভব আমরা ব্যবস্থা করব।’’ স্বরূপনগর বিডিও এই প্রসঙ্গে জানান, ‘‘আমরা সব জায়গায় ত্রাণ পৌঁছাতে পারিনি এবং ত্রিপল দেওয়াও সম্ভব হয়নি। কিছু কিছু করে সকলকেই সাহায্য করার চেষ্টা করছি। যত দ্রুত সম্ভব সমস্যার সমাধান করা হবে।’’
তবে স্থানীয় মানুষের অভিযোগ, ১৫ থেকে ১৬ দিন গ্রামের মানুষ জলের তলায় বসবাস করছে, তাদের পাশে সরকারিভাবে কোন প্রশাসনের দেখা নেই, তারা অসহায়ের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন জলের তলায়।
একাধিক মাটির বাড়ি কেন? সেই নিয়ে সংবাদ মাধ্যম প্রশ্ন করলে স্থানীয়রা জানান, ‘‘আমরা কোনও ঘর এখনও পর্যন্ত পাইনি। অর্থাৎ সরকারের সব রকম সুযোগ সুবিধা থেকে তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চিত হচ্ছেন। সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য আবেদন জানিয়েছেন ।
জুলফিকার মোল্লা





