প্রসঙ্গত, জানা যায় প্রায় কয়েক বছর আগে পর্যন্ত জমি সংক্রান্ত বিষয়ে একাধিক সমস্যা দেখা যায় এলাকাবাসীদের মধ্যে। আর সে কারণেই এলাকার সমস্যা সমাধানে এক বড় উদ্যোগ গ্রহণ করল বীরভূম জেলা পুলিশ প্রশাসন।
গরু-মহিষের দাপটে নষ্ট হচ্ছে বীজতলা, আর তা থেকেই মাথাব্যথা চাষিদের। কখনও মারামারি, কখনও জমি নিয়ে রক্তারক্তি! এবার সেই সমস্যার আগেভাগেই সমাধানে নেমে পড়েছে বীরভূম জেলা পুলিশ। তবে চার চাকা গাড়ি নয়, গরমে ধুলো উড়িয়ে তারা ছুটছে টোটোয় চেপেই।
advertisement
খয়রাশোল ও কাঁকরতলা থানার পুলিশ মাইকিং করছে গ্রামেগঞ্জে—গরু, মহিষ বা অন্য কোনও গবাদিপশু যদি অবাধে মাঠে ছেড়ে দিয়ে ফসল নষ্ট হয়, তবে থানায় গিয়ে পার পাবেন না কেউ। আইন অনুযায়ী নেওয়া হবে কড়া পদক্ষেপ।
আরও পড়ুন- স্কুল তো নয় যেন পুষ্টির খনি! হল মহাভোজ! নন্দকুমারের এই স্কুলের এখন প্রশংসায় পঞ্চমুখ সব্বাই
খয়রাশোল গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান ভূপেন্দ্রনাথ ঘোষ জানিয়েছেন, জেলা পুলিশের এই উদ্যোগ অবশ্যই প্রশংসনীয়। আগে এমন ঘটনায় কোর্ট পর্যন্ত মামলা গড়িয়েছে। এখন আগাম সতর্কতায় অনেকটাই রক্ষা পাচ্ছে চাষিরা। স্থানীয় বাসিন্দা প্রলয় ঘোষের কথায়, মমতা ব্যানার্জীর সরকারের প্রশাসন এখন আগাম সচেতনতার ওপর জোর দিচ্ছে। সাধারণ মানুষকে বোঝাতে থানাপুলিশ পর্যন্ত ঘুরছে গ্রামে গ্রামে। আমরা খুশি। সবাই এখন গবাদিপশু নিজের হাতে সামলাচ্ছে।
বর্ষার জমি বাঁচাতে গরু-মহিষের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণে রাখতে টোটোয় চড়ে সচেতনতায় নেমেছে পুলিশ।
সুদীপ্ত গড়াই





