রঘুনাথপুর মহকুমা আদালতের সরকারী আইনজীবী তপন কুমার মাজি জানান, “সাজাপ্রাপ্ত রতন মাজি পুরুলিয়ার সাঁওতালডি থানার অন্তর্গত ইছরের কামারগোড়া গ্রামের বাসিন্দা।
আরও পড়ুন: দাঁত-মাড়ির স্বাস্থ্য ছাড়া চুইংগাম চিবানোর আর কী কী উপকার জানেন? চমকে যাবেন
২০১২ সালে তিনি ঝাড়খণ্ডের বোকারো জেলার শম্পা মাজীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বিবাহের পর থেকেই তাদের মধ্যে পারিবারিক অশান্তি চলছিল। ২০২২ সালের ১৬ মে পারিবারিক অশান্তি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যেখানে নিজের স্ত্রী শম্পা মাজিকে গাইতি দিয়ে খুন করেন রতন মাজি।” ঘটনার পর ওইদিনই শম্পা মাজির বাবা শান্তি মাজি সাঁওতালডি থানায় খুনের অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ ওইদিন রতনকে গ্রেফতার করে।
advertisement
আরও পড়ুন: অযোগ্যদের তালিকা প্রকাশ, তারপরেই প্রত্যাহার SSC-র! কেন টানাপোড়েন, কী বললেন ব্রাত্য?
পরের দিন তাকে রঘুনাথপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয়। তারপর থেকে আর জেল থেকে ছাড়া পায়নি সে। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর থেকে সাক্ষী গ্রহণ শুরু হয়। দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়ায় ২৩ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন। অবশেষে, শনিবার রঘুনাথপুর মহকুমা আদালত রতন মাজিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা ঘোষণা করেন আদালতের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা বিচারক প্রিয়জিৎ চট্টোপাধ্যায় রায়। সেই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়, যা অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।






