বারুইপুরের সভায় বক্তব্য রাখার ফাঁকেই সেই র্যাম্প নিয়ে কৌতূহলের নিরসন করলেন অভিষেক৷ সঙ্গে দিলেন বড় চমকও৷ অভিষেকের কথায় তিন জন ভূতকে হাঁটাতেই এই র্যাম্প তৈরি করিয়েছেন তিনি৷
বারুইপুরের সভা থেকেও এসআইআর নিয়ে সরব হন অভিষেক৷ নিজের বক্তব্যের মাঝেই দুই পুরুষ এবং এক মহিলাকে মঞ্চে হাজির করান তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক৷ অভিষেক দাবি করেন, এসআইআর-এ এই তিন জন ব্যক্তিকেই মৃত হিসেবে চিহ্নিত করেছে নির্বাচন কমিশন৷ ফলে খসড়া ভোটার তালিকা থেকে মেটিয়াবুরুজের দু জন এবং কাকদ্বীপের বাসিন্দা একজনের নাম বাদ গিয়েছে৷
advertisement
এই তিন জন ভোটারকেই মৃত বলে দেখানো হয়েছে খসড়া তালিকায়, দাবি অভিষেকের৷
তিন জনকে র্যাম্পে নিয়ে আসার আগে অভিষেক বলেন, ‘এই র্যাম্প তৈরি করেছি তিন জন ভূতকে হাঁটাব বলে৷ কোনও দিন মৃত ব্যক্তিদের কোনও দিন মৃত ব্যক্তিদের র্যাম্পে হাঁটতে দেখেছেন? আপনারা এজের দেখতে পেলেও নির্বাচন কমিশন দেখতে পারছে না৷ বাংলার মানুষ যাতে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে না পারে তার জন্য এদের মৃত দেখিয়ে দিয়েছে৷ তৃণমূল যতদিন আছে কারও মৌলিক অধিকার কাড়তে দেব না৷’ অভিষেক দাবি করেন, শুধু দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা জেলাতেই এই ধরনের ২৪ জন ভোটারের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে যাঁরা জীবিত থাকলেও এসআইআর-এর খসড়া ভোটার তালিকায় মৃত বলে দেখানো হয়েছে৷
তৃণমূল সূত্রে খবর, যে তিনজনকে আজ বারুইপুরের সভায় হাজির করান অভিষেক, তাঁদের মধ্যে মণিরুল মোল্লা এবং মায়া দাস মেটিয়াবুরুজ বিধানসভা কেন্দ্রের বাসিন্দা৷ হরেকৃষ্ণ গিরি কাকদ্বীপ বিধানসভা কেন্দ্রের নামখানার বাসিন্দা৷ তিন জনকেই মৃত বলে ঘোষণা করে খসড়া ভোটার তালিকায় নাম বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তৃণমূলের৷
