এই এলাকাটি বর্তমানে ট্যাবেবুইয়া হেটেরোফাইলা গাছে সারিবদ্ধ, যা পিঙ্ক ট্রাম্পেট ট্রি নামেও পরিচিত। ঐতিহ্যবাহী চেরি ফুলের মতো এগুলো নয়, এই গাছগুলোর খুব কম জলের প্রয়োজন হয় এবং সেই কারণেই এগুলো রক্ষণাবেক্ষণ করা সহজ, যা এগুলোকে শহরের পরিবেশের জন্য উপযুক্ত করে তোলে। ফুল ফোটার সময় রাস্তাটি ঠিক যেন এক স্বপ্নময় দৃশ্যে পরিণত হয়, কারণ গোলাপি ফুলগুলো মাটি ঢেকে ফেলে এবং ডাল থেকে ঝুলে থাকে।
advertisement
আরও পড়ুন– দুবাই থেকে সোনা আনার জন্য বাম্পার অফার ! সীমা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে
ভিখরোলির মনোমুগ্ধকর গোলাপি অংশ: প্রতি বছর গোদরেজের কাছে ঘাটকোপার এবং ভিখরোলির মধ্যবর্তী হাইওয়ের অংশটি ফুল পুরোপুরি ফোটার সময় গোলাপি রঙে আলোকিত হয়ে ওঠে। ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা ভিডিওটির ক্যাপশনে লেখা ছিল, “স্থান- ভিখরোলি ঘাটকোপার ইস্টার্ন এক্সপ্রেস হাইওয়ে। দ্রষ্টব্য- এই ফুলগুলোকে পিঙ্ক ট্যাবেবুইয়া বলা হয়।”
আরও পড়ুন– রানওয়েতে দুই বিমানের ডানায় ধাক্কা ! ‘ডানা ঘেঁষে’ কাটল বিপদ ! কীভাবে ঘটল এই ঘটনা?
পোস্টটিতে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে একজন সোশ্যাল মিডিয়া ইউজার লিখেছেন, “ভিখরোলির সৌন্দর্য।” আরেকজন শেয়ার করেছেন, “দূষণ গৌরবময় শটটির সৌন্দর্য নষ্ট করে দিয়েছে।” “কয়েকবার পরিদর্শন করেছি। এটি দেখতে খুব সুন্দর,” একটি মন্তব্যে লেখা ছিল।
একজন ব্যক্তি বলেছেন, “অবশেষে ড্রোনটি সেই সৌন্দর্য ক্যামেরাবন্দী করছে যা আমরা কয়েক দশক ধরে দেখে আসছি।’’ আরেকজন উল্লেখ করেছেন, “মুম্বই ধীর হয় না। কিন্তু কয়েকটি গোলাপি মুহূর্তের জন্য এটি শ্বাস নিতে শেখে।’’
আরও একজন যোগ করেছেন, “এখানে আসা মানুষদের মধ্যে নাগরিক বোধের অভাব রয়েছে। তারা বাচ্চাদের জন্য ডাল ভেঙে ফুল ছিঁড়ছে। মায়েরা রিল বানাচ্ছেন, কিন্তু বাচ্চারা আগ্রহী নয়। মেয়েরা ফুটপাত আটকে ১০০০ ছবি তুলছে। গাছের ডালপালা নষ্ট করছে। রবিবার ওই জায়গাটা জগারদের জন্য, তারা জগিং করতে পারছেন না।’’
শহরের অন্যান্য গোলাপি স্থান: ভিখরোলি এলাকা ছাড়াও অবশ্য মুম্বইতে আরও বেশ কয়েকটি জায়গা রয়েছে যেখানে পিঙ্ক ট্রাম্পেট গাছ দেখা যায়। এর মধ্যে রয়েছে ছত্রপতি শিবাজি টার্মিনাসের কাছের এলাকা, বোরিভালি গোরাই রোড, ফোর্টের লায়ন গেটের বিপরীত এলাকা, বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জের কাছের এলাকা, রানি বাগ এবং মাহিম নেচার পার্ক। শহরটিতে ট্যাবেবুইয়া বার্টেরোই এবং ট্যাবেবুইয়া অরিয়ার মতো অন্যান্য প্রজাতির ট্যাবেবুইয়া গাছও রয়েছে।
