ভিডিওতে বন্ধুদের একজন ব্যাখ্যা করেন যে তাঁরা বারান্দায় বেরিয়েছিলেন এবং খুব দেরিতে বুঝতে পারেন যে দরজাটি লক হয়ে গিয়েছে। বাবা-মা ভেতরে ঘুমিয়ে ছিলেন এবং দুই বন্ধুদের কাছে কোনও অতিরিক্ত চাবি ছিল না। তাই তারা ব্লিঙ্কিটে একটি অর্ডার দেওয়ার এবং ডেলিভারি এক্সিকিউটিভকে ফোন করে তাঁদের পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করার সিদ্ধান্ত নেন। ডেলিভারি এজেন্ট আসার পর আটকে পড়া ব্যক্তিরা ফোন করে তাঁকে পথ বলে দেন, শান্তভাবে ব্যাখ্যা করেন যে অতিরিক্ত চাবিটি কোথায় রাখা আছে এবং মূল দরজা খুলে নীরবে ভেতরে প্রবেশের জন্য ধাপে ধাপে নির্দেশ দেন।ডেলিভারি এজেন্ট চাবিটি খুঁজে বের করেন, বাড়ির ভেতরে কাউকে জাগিয়ে না তুলেই দরজা খোলেন এবং বারান্দার দিকে হেঁটে যান। তাঁদের কাছে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই বন্ধুরা স্বস্তি ও কৃতজ্ঞতায় হাসিতে ফেটে পড়েন।
advertisement
ভিডিওতে দুই বন্ধুর একজনকে শান্তভাবে বলতে শোনা যায় যে বাড়ির চাবিটি কোথায় রাখা আছে এবং মূল দরজা খোলার জন্য সঠিক নির্দেশাবলী দিতে শোনা যায়। এরপর ভিডিওতে দেখা যায় ব্লিঙ্কিটের ডেলিভারি এক্সিকিউটিভ দরজা খুলছেন এবং বারান্দার দিকে হেঁটে যাচ্ছেন। তিনি পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই আটকে পড়া বন্ধুরা হাসিতে ফেটে পড়েন। কিছুক্ষণের মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ার ইউজাররা পোস্টটির কমেন্ট সেকশনে ভিড় করে তাঁদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানাতে শুরু করেন। কেউ লেখেন, “ভাবুন তো, আপনার বাবা-মা ঘুম থেকে উঠে ওই ব্যক্তিকে বাড়িতে ঢুকতে দেখলেন।” আরেকজন বলেছেন, “কিছু সুপারহিরো ইউনিফর্ম পরেন না… তাঁরা ব্লিঙ্কিটের টি-শার্ট পরেন।”
আরেকজন লিখেছেন, “বিগত মাসে আমার সঙ্গেও একই ঘটনা ঘটেছিল। আমার ছেলে ফ্রেঞ্চ স্লাইড ডোরটা বন্ধ করে দিয়েছিল এবং আমরা ৯ তলার বারান্দায় আটকে পড়েছিলাম। আমি সাহায্যের জন্য চিৎকার করেছিলাম, বিল্ডিংয়ের লোকেরা ২ ঘণ্টা পর দরজাটা জোরে ধাক্কা দিয়ে খুলেছিল। এর মাঝে আমি আমার ছেলেকেও মেরেছিলাম, যাতে সে সারাজীবন এই ঘটনা মনে রাখে।” ভিডিওতে দেখা যায় এরপর তাঁরা জিনিসগুলো ডেলিভারি এক্সিকিউটিভকে দিতে চান। কিন্তু লোকটি তা নিতে অস্বীকার করে বলেন, “আমি ডিউটিতে আছি, স্যার। ডেলিভারি দেওয়াই আমাদের কাজ।” তবে, অনেক পীড়াপীড়ির পর ওই দুজন জিনিসগুলো তাঁর হাতে তুলে দিতে সক্ষম হন এবং ডেলিভারি পার্টনারটি উজ্জ্বল হাসি মুখে তা নিয়ে চলে যান। গোটা ভিডিওটি মন জয় করেছে সকলের।
