ঘটনাটি ঘটে একটি ভারতীয় মোবাইল দোকানে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, নির্লিপ্ত ভঙ্গিতে কিশোরটি ব্যাটারিটি মুখে ঢুকিয়ে দেয় এবং পাশ দিক থেকে কামড় দেয়। মুহূর্তের মধ্যেই বিকট বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণজনিত আগুনে কিশোরটি গুরুতরভাবে জখম হয় এবং তার মুখ ও শরীরের বিভিন্ন অংশে দগ্ধ হওয়ার খবর পাওয়া যায়।
নতুন দল ক্ষমতায় এলে এই প্রতিশ্রুতি পূরণে হিমশিম খাবে! রাজ্যের বাজেটকে কটাক্ষ অশোক লাহিড়ির
advertisement
নতুন দল ক্ষমতায় এলে এই প্রতিশ্রুতি পূরণে হিমশিম খাবে! রাজ্যের বাজেটকে কটাক্ষ অশোক লাহিড়ির
ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে এক ব্যক্তি লেখেন, “মোবাইল দোকানের ভিতরে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। এক কিশোর লিথিয়াম ফোন ব্যাটারি চিবোতে শুরু করতেই কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে বিস্ফোরণ ঘটে। গুরুতর জখম অবস্থায় তাকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।” ফুটেজের পরের অংশে আতঙ্কিত দোকানমালিককে দগ্ধ ব্যাটারি ছুঁড়ে ফেলতে দেখা যায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মোবাইল ফোনের ব্যাটারি একটি সিল করা ইউনিট, যার ভিতরে থাকে উচ্চমাত্রার রাসায়নিক উপাদান ও বৈদ্যুতিক চার্জ। মুখ দিয়ে ব্যাটারির আবরণ ক্ষতিগ্রস্ত হলে সঙ্গে সঙ্গে সেই সিল ভেঙে যায় এবং ভেতরের রাসায়নিক উপাদান বেরিয়ে আসে, যা মুখের টিস্যুর জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
এই ধরনের ব্যাটারিতে অত্যন্ত ঘনীভূত ও ক্ষয়কারক ইলেক্ট্রোলাইট থাকে। ইলেক্ট্রোলাইটে থাকা ক্ষারধর্মী উপাদান ত্বক বা মুখের সংস্পর্শে এলে গুরুতর রাসায়নিক দগ্ধের কারণ হতে পারে। বিশেষ করে লিথিয়াম-ভিত্তিক ব্যাটারি বিস্ফোরণের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি বলে মনে করা হয়।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়। অনেকেই কিশোরটির এই বিপজ্জনক আচরণের তীব্র নিন্দা করেন। এক নেটিজেন লেখেন, “লিথিয়াম ব্যাটারি অন্য ব্যাটারির তুলনায় অনেক বেশি শক্তি সঞ্চয় করে। এর সঙ্গে খেলবেন না।” আরেকজন মন্তব্য করেন, “এটা মোটেই শকিং নয়, নিছক বোকামি।” কেউ প্রশ্ন তুলেছেন, “কেউ ব্যাটারি চিবোতে যাবে কেন?” আবার কেউ লিখেছেন, “এক মুহূর্তের বোকামি সারাজীবনের ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।”
এই অস্বাভাবিক ও বিপজ্জনক কাজ শুধু কিশোরটিকেই আহত করেনি, বরং দোকানের ভিতরে থাকা দোকানমালিক ও অন্যদের নিরাপত্তাকেও চরম ঝুঁকির মুখে ফেলেছিল। বিস্ফোরণের আগুন সহজেই দোকানের বৈদ্যুতিক সামগ্রীর সংস্পর্শে এলে আরও বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
