TRENDING:

হনুমান জয়ন্তী ২০২১: জীবন হবে নির্ভয়, সঙ্কট মোচনের জন্য পবনপুত্রের পূজা দিতে হবে দিনের এই সময়ের মধ্যে!

Last Updated:

হনুমান জয়ন্তী এই বছর উদযাপিত হবে ২৭ এপ্রিল তারিখে।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
#কলকাতা: সবার প্রথমে জানিয়ে না রাখলেই নয়- পবনপুত্র হনুমানের জন্মতিথি নিয়ে কিন্তু মতভেদ আছে। এই বিষয়ে দেশের উত্তর অংশের শাস্ত্র এক রকম মতপোষণ করে, আবার দক্ষিণ ভারতে আলাদা তিথিতে উদযাপিত হয় হনুমান জয়ন্তী। উত্তর ভারত এক্ষেত্রে চৈত্র মাসটিকে হনুমানের জন্মমাস হিসেবে নির্দেশ করেছে। জানিয়েছে যে চৈত্র মাসের পুণ্য পূর্ণিমা তিথিতে মাতা অঞ্জনার কোল আলো করে জন্মগ্রহণ করেছিলেন হনুমান।
হনুমান জয়ন্তী ২০২১: জীবন হবে নির্ভয়, সঙ্কট মোচনের জন্য পবনপুত্রের পূজা দিতে হবে দিনের এই সময়ের মধ্যে!
হনুমান জয়ন্তী ২০২১: জীবন হবে নির্ভয়, সঙ্কট মোচনের জন্য পবনপুত্রের পূজা দিতে হবে দিনের এই সময়ের মধ্যে!
advertisement

হনুমানের জন্মকথা

রামায়ণ এবং নানা পুরাণ বলে যে লঙ্কার রাক্ষসরাজা রাবণকে বধ করার জন্য বিষ্ণু যখন অযোধ্যায় রামাবতার রূপে জন্মের সঙ্কল্প নেন, তখন দেবতারাও দলে দলে তাঁকে সাহায্য করার জন্য পৃথিবীতে অবতার গ্রহণের সঙ্কল্প নেন। সেই মতো তাঁদের গর্ভে ধারণ করার জন্য অপ্সরারা পৃথিবীতে বানর এবং ভল্লুক কুলে জন্মগ্রহণ করতে শুরু করেন। এঁদের মধ্যে এক অপ্সরার নাম ছিল পুঞ্জিকাস্থলা, তিনি বানরকুলে অঞ্জনা নামে জন্মগ্রহণ করেন। কোনও কোনও পুরাণ মতে এই রূপবতী অঞ্জনাকে দেখে মুগ্ধ হন পবনদেব, তিনি সুকৌশলে তাঁর বস্ত্র উড়িয়ে নিয়ে যান। অঞ্জনা ভয় পেয়ে গেলে তাঁকে দর্শন দিয়ে অভয় দেন পবনদেব এবং উভয়ের মিলনে হনুমানের জন্ম হয়।

advertisement

অন্য মতে, শিবের বীর্য পবনদেব নিশাকালে স্থাপন করেছিলেন অঞ্জনার গর্ভে। তাই মূলত শিবের অংশ হলেও হনুমানকে পবনপুত্র নামে আখ্যা দেওয়া হয়।

হনুমান জয়ন্তী এই মাসের কোন তারিখে পড়েছে?

হনুমান জয়ন্তী এই বছর উদযাপিত হবে ২৭ এপ্রিল তারিখে। শাস্ত্রমতে হনুমানের জন্ম হয়েছিল পূর্ণিমা তিথিতে। ২৬ এপ্রিল দুপুর ১২টা ৪৪ মিনিট থেকে শুরু হচ্ছে পূর্ণিমা, থাকবে ২৭ এপ্রিল সকাল ৯টা ০১ মিনিট পর্যন্ত। তাই হনুমান জয়ন্তী উদযাপন করতে চাইলে পূজা দিতে হবে ২৭ এপ্রিল তারিখে, ৯টা ০১ মিনিটের মধ্যেই!

advertisement

হনুমান জয়ন্তীতে কী ভাবে পূজা দিতে হয়?

ভক্তেরা এই দিন সর্ষের তেল দিয়ে হনুমানের মূর্তির অভিষেক করেন, শৃঙ্গার করেন কমলা রঙের সিঁদুর দিয়ে। এই অভিষেক এবং শৃঙ্গার শেষ হলে ফুল, মালা অর্পণ করতে হয় বজরঙ্গবলীকে, তাঁর সামনে জ্বালাতে হয় তেলের বা ঘিয়ের প্রদীপ। সব শেষে তাঁর পাদদেশ থেকে নিয়ে কমলা সিঁদুরের তিলক পরতে হয় নিজের কপালে।

advertisement

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
'হাতে গুঁজে দিতেন কখনও ৫০০, কখনও ২০০ টাকার নোট...', 'দাদার' মৃত্যুতে চোখ ভরা জল সমীরের
আরও দেখুন

এই দিন হনুমান চালিশা, সম্পূর্ণ রামায়ণ বা নিদেনপক্ষে মহাকাব্যের সুন্দরকাণ্ড পাঠ করা অবশ্য কর্তব্য।

বাংলা খবর/ খবর/পাঁচমিশালি/
হনুমান জয়ন্তী ২০২১: জীবন হবে নির্ভয়, সঙ্কট মোচনের জন্য পবনপুত্রের পূজা দিতে হবে দিনের এই সময়ের মধ্যে!
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল