ভিডিওতে একটি গাঢ় রঙের বিএমডব্লিউ গাড়িকে সতর্কতার সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা অবস্থায় দেখা যায়। চারপাশে কয়েকজন ব্যক্তি দাঁড়িয়ে রয়েছেন, আর ধীরে ধীরে গাড়িটিকে মাটির গভীরে নামানো হচ্ছে। স্থানটি খোলা জমি বলে মনে হচ্ছে, যেখানে গাড়ি রাখার মতো গভীর করে মাটি খোঁড়া হয়েছে। ভিডিওর উপর লেখা রয়েছে, “ছেলের মৃত্যুর পর ৬ কোটি টাকার বিএমডব্লিউ মাটিতে কবর দিলেন এক বাবা।” ক্যাপশনে বলা হয়েছে, অনেকে দেখেছেন “টাকা, শিরোনাম, বিতর্ক”—কিন্তু দেখেননি এক বাবার “ভেঙে চুরমার হয়ে যাওয়া হৃদয়।”
advertisement
গাঁদা গাছে ফুল আসে না? ‘সিক্রেট’ টিপস আছে! সহজ উপায় জানলেই বড় বড় ফুলে ভরবে বাগান
ভিডিওটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে পড়তেই মন্তব্যের ঘর বিতর্কে ভরে ওঠে। অনেকেই বাবার সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে জানিয়েছেন, শোককে বাইরে থেকে বিচার করা যায় না। এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, “যে মানুষটি আর নেই, তার সামনে জিনিসের কোনও মূল্য থাকে না।”
অন্যদিকে, অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন এই সিদ্ধান্ত নিয়ে। একজন মন্তব্য করেছেন, “গাড়িটি বিক্রি করে সেই টাকা প্রয়োজনীয় মানুষদের দান করা যেত।” একই মত প্রকাশ করেছেন আরও কয়েকজন, তাঁদের মতে এত বড় অঙ্কের অর্থ দাতব্য কাজে ব্যবহার করা সম্ভব ছিল।
ভিডিওর ক্যাপশনেই উল্লেখ রয়েছে, “এই সিদ্ধান্ত সঠিক না ভুল, তা নিয়ে বিতর্ক হতে পারে… কিন্তু শোককে মাপা যায় না, যদি না নিজে সেই অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে যাওয়া যায়।”
শেয়ার হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভিডিওটি হাজার হাজার ভিউ কুড়িয়েছে। কেউ এটিকে দেখছেন প্রতীকী বিদায় হিসেবে, আবার কারও কাছে এটি অপ্রয়োজনীয় আড়ম্বর। প্রায় ৬ কোটি টাকা মূল্যের গাড়ি হওয়ায় বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। ইনস্টাগ্রামসহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ভিডিওটি এখনও ঘুরে বেড়াচ্ছে।
তবে একটি বিষয় স্পষ্ট—মাটির গভীরে একটি বিলাসবহুল বিএমডব্লিউ নামানোর দৃশ্য অনেকের মনে স্থায়ী ছাপ ফেলেছে। একে কেউ দেখছেন শোকের প্রকাশ হিসেবে, কেউ বা অপচয়ের প্রতীক হিসেবে। তবু এই ঘটনাটি বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ার অন্যতম আলোচিত ও ভাইরাল মুহূর্ত হয়ে উঠেছে।
