TRENDING:

Free Gas: কিনতে হয় না, মাটির নীচেই গ্যাসের খনি! ১৪ মাস ধরে যে ভাবে রান্না করছেন এই পরিবার, জোরহাটে চমক

Last Updated:

রান্নার গ্যাসের লাগামছাড়া দামে যখন নাভিশ্বাস উঠছে সাধারণ মানুষের, তখন অসমের যোরহাটে এক পরিবারের জীবনে ঘটেছে এক অবিশ্বাস্য ঘটনা। মাটির নীচ থেকে হঠাৎ মিলেছে দাহ্য গ্যাস, আর সেই গ্যাস দিয়েই গত ১৪ মাস ধরে চলছে তাঁদের রান্নাবান্না—তাও একেবারে বিনামূল্যে। এই বিরল ঘটনাকে ঘিরে যেমন কৌতূহল তৈরি হয়েছে, তেমনই উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্নও।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
সপুন বরা, যোরহাট, অসম: প্রকৃতির অজানা রহস্য আর মানুষের প্রয়োজন—কখনও কখনও এমন অদ্ভুতভাবে একসঙ্গে মিশে যায়, যা সমাজকে বিস্মিত করে। যখন বিশ্বজুড়ে রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ছে, জোগানও অনিশ্চিত, সেই সময় অসমের জোরহাটে এক পরিবারের জীবনে যেন প্রকৃতি নিজেই খুলে দিয়েছে এক অপ্রত্যাশিত দরজা। গত ১৪ মাস ধরে তাঁরা কোনও সরকারি সংযোগ বা বাণিজ্যিক সিলিন্ডার ছাড়াই সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করছেন।
মাটির নীচে গ্যাসের খনি! ১৪ মাস ধরে বিনামূল্যে প্রাকৃতিক গ্যাসে রান্না, যোরহাটে চমক!
মাটির নীচে গ্যাসের খনি! ১৪ মাস ধরে বিনামূল্যে প্রাকৃতিক গ্যাসে রান্না, যোরহাটে চমক!
advertisement

এই চমকপ্রদ ঘটনাটি যোরহাটের নাও আলি ঢেকিয়াজুলি কোহার গাঁও এলাকার বাসিন্দা জিতু গগৈ এবং তাঁর পরিবারের। প্রায় ১৪ মাস আগে বাড়িতে জল পাওয়ার জন্য একটি সাধারণ হ্যান্ডপাম্প বসানোর সিদ্ধান্ত নেন জিতু। বাড়ির পেছনের দিকে খোঁড়া শুরু হয়, পাইপ বসিয়ে গভীর পর্যন্ত ড্রিল করা হয়। কিন্তু অনেক গভীর পর্যন্ত গিয়েও জল মেলেনি। তার বদলে বেরিয়ে আসে একেবারে অপ্রত্যাশিত কিছু—দাহ্য গ্যাস।

advertisement

পরীক্ষা করে জানা যায়, সেটি প্রাকৃতিক গ্যাস। সেই দিন থেকেই তাঁদের আর রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার কেনার প্রয়োজন পড়েনি। খুবই সাধারণ পদ্ধতিতে তাঁরা এই প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার শুরু করেন। কোনও উন্নত যন্ত্র বা নিয়ন্ত্রক ছাড়াই, পাইপটিই হয়ে উঠেছে তাঁদের রান্নার মাধ্যম। যখনই রান্না করতে হয়, পাইপের মুখে একটি দেশলাই জ্বালালেই স্থির শিখা জ্বলে ওঠে। কাজ শেষে শিখা নিভিয়ে, গ্যাস বেরোনো আটকাতে একটি পাথর দিয়ে মুখ বন্ধ করে দেওয়া হয়।

advertisement

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
নবাবী আমলের গোপন সুড়ঙ্গ আজও বর্তমান! মুর্শিদাবাদের এই বাগানবাড়ির রহস্য কি আপনার জানা আছে?
আরও দেখুন

গত ১৪ মাস ধরে এই পদ্ধতিতেই পরিবারের সমস্ত রান্নার কাজ চলছে, এমনকি বেশি জ্বালানি প্রয়োজন হয় এমন কাজও। এতে তাঁদের আর্থিকভাবে যথেষ্ট স্বস্তি মিলেছে। তবে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বড়সড় নিরাপত্তা আশঙ্কাও। অনিয়ন্ত্রিত গ্যাস নির্গমন যে কোনও সময় ভয়াবহ দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে, এমনকি বিস্ফোরণের ঝুঁকিও রয়েছে। তাই দ্রুত এই বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/পাঁচমিশালি/
Free Gas: কিনতে হয় না, মাটির নীচেই গ্যাসের খনি! ১৪ মাস ধরে যে ভাবে রান্না করছেন এই পরিবার, জোরহাটে চমক
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল