এই চমকপ্রদ ঘটনাটি যোরহাটের নাও আলি ঢেকিয়াজুলি কোহার গাঁও এলাকার বাসিন্দা জিতু গগৈ এবং তাঁর পরিবারের। প্রায় ১৪ মাস আগে বাড়িতে জল পাওয়ার জন্য একটি সাধারণ হ্যান্ডপাম্প বসানোর সিদ্ধান্ত নেন জিতু। বাড়ির পেছনের দিকে খোঁড়া শুরু হয়, পাইপ বসিয়ে গভীর পর্যন্ত ড্রিল করা হয়। কিন্তু অনেক গভীর পর্যন্ত গিয়েও জল মেলেনি। তার বদলে বেরিয়ে আসে একেবারে অপ্রত্যাশিত কিছু—দাহ্য গ্যাস।
advertisement
পরীক্ষা করে জানা যায়, সেটি প্রাকৃতিক গ্যাস। সেই দিন থেকেই তাঁদের আর রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার কেনার প্রয়োজন পড়েনি। খুবই সাধারণ পদ্ধতিতে তাঁরা এই প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার শুরু করেন। কোনও উন্নত যন্ত্র বা নিয়ন্ত্রক ছাড়াই, পাইপটিই হয়ে উঠেছে তাঁদের রান্নার মাধ্যম। যখনই রান্না করতে হয়, পাইপের মুখে একটি দেশলাই জ্বালালেই স্থির শিখা জ্বলে ওঠে। কাজ শেষে শিখা নিভিয়ে, গ্যাস বেরোনো আটকাতে একটি পাথর দিয়ে মুখ বন্ধ করে দেওয়া হয়।
গত ১৪ মাস ধরে এই পদ্ধতিতেই পরিবারের সমস্ত রান্নার কাজ চলছে, এমনকি বেশি জ্বালানি প্রয়োজন হয় এমন কাজও। এতে তাঁদের আর্থিকভাবে যথেষ্ট স্বস্তি মিলেছে। তবে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বড়সড় নিরাপত্তা আশঙ্কাও। অনিয়ন্ত্রিত গ্যাস নির্গমন যে কোনও সময় ভয়াবহ দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে, এমনকি বিস্ফোরণের ঝুঁকিও রয়েছে। তাই দ্রুত এই বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।
