দীর্ঘ সাত বছর ধরে কোন খোঁজ না মেলায় দুশ্চিন্তায় পড়েছিলেন বাবা-মা সহ পরিবারের সদস্যরা। অবশেষে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ছেলের সন্ধান মেলে। মোবাইলে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছেলের ছবি দেখে চিনতে পারেন বাবা মা। যদিও ছেলেকে ফিরিয়ে আনতে চাইলেও বর্তমানে সম্ভব হচ্ছে না তাদের পক্ষে। কারণ নিখোঁজ ওই যুবক বর্তমানে বাংলাদেশে আটক অবস্থায় রয়েছে।
advertisement
আরও পড়ুন: দুর্নীতি হলে কি আমরা চোখ বন্ধ করে থাকব? ৩২০০০ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ মামলায় মন্তব্য বিচারপতির
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গোলাম মোস্তফা মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। দীর্ঘ সাত বছর আগে হঠাৎ করেই বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়ে যান। তার বৃদ্ধ বাবা-মা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজা খুঁজি চেষ্টা করলেও ছেলের সন্ধান পাননি। হঠাৎ করেই কয়েকদিন আগে গোলাম মোস্তফার একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। তার সঙ্গে নিচে একটি লেখাও ছিল, সেখানে দেখা যায় গোলাম মোস্তফা বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার কোন একটি জায়গায় আটক রয়েছেন। তাদের অনুমান, ছেলেটি বাংলাদেশের কোন একটি পুনর্বাসন কেন্দ্র বা সংশোধনাগারে রয়েছেন।
এই ছবি হরিশ্চন্দ্রপুরের বাসিন্দাদের নজরে আসলে তারা গোলাম মোস্তফার বাবা-মাকে খবরটি দেন। সেখান থেকেই সমস্ত ঘটনার সামনে আসে। কিন্তু এই মানসিক ভারসাম্যহীন যুবক কি করে বাংলাদেশে পৌঁছে গেলেন সেই নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন।
বৃদ্ধ বাবা সেক আনারুল বলেন, ‘‘এত বছর পর ছেলের খোঁজ পাব ভাবতে পারিনি। হঠাৎ করেই আমার ছেলে মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েছিল। তবে বাংলাদেশ থেকে কী করে বাড়ি ফেরাবো সেটা নিয়ে এখন চিন্তায় পড়েছি। আশা করব প্রশাসন আমাদের পাশে থাকবে।’’
এই খবর পেয়ে হরিশ্চন্দ্রপুর পুলিশ প্রশাসন জাবরা গ্রামে গোলাম মোস্তফার বাড়িতে যান সেখানে তদন্ত করে সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখেন। প্রশাসনের তরফ থেকে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করে ওই তরুণকে ফেরাবার চেষ্টা শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। জিএম মোমিন।





