সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, গত ২১ আগষ্ট ধূপগুড়ি থানায় বাইক চুরির অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। অভিযোগ দায়ের হতেই ঘটনার তদন্ত শুরু করে ধূপগুড়ি থানার পুলিশ। তদন্তে নেমে প্রথমে একজনকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার থেকে আরও কয়েকজনের নাম পাওয়া যায়। একে একে তাদেরও গ্রেফতার করা হয়।
ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে তাদের থেকে ২৯টি বাইক উদ্ধার করা হয়েছে। এরা মূলত জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার,শিলিগুড়ি এবং কোচবিহারের বিভিন্ন জায়গা থেকে বাইক চুরি করেছিল। ধৃতরা হল চন্দন বর্মন, অজয় বর্মন, সোনাই সরকার, রাজু সরকার, শুভজিৎ দাস, কানাই অধিকারী এবং বলাই অধিকারী। গ্রেফতার হওয়া সাতজনই কোচবিহারের মাথাভাঙার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।
advertisement
আরও পড়ুনঃ বর্ষাকালে চালে কালো পোকা! কিছুতেই তা যাচ্ছে না? এই উপায়ে সহজেই মিলবে মুক্তি
বর্তমানে এরা প্রত্যেকেই পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। ঘটনায় আরও কেউ জড়িত রয়েছে কিনা তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ধূপগুড়ি শহরের নিরাপত্তার জন্য শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে ৩০ সিসিটিভি ক্যামেরা লাগিয়েছে পুলিশ।
সুরজিৎ দে






