বোল্লা পুজোর অন্যতম ভোগ বাতাসা বা মিষ্টান্ন ভোগ। তাই পুজোয় বাতাসার জোগান স্বাভাবিক রাখতে প্রায় এক মাস আগে থেকেই বানানোর প্রস্তুতি শুরু হয়ে যায়। নিজ জেলার বিভিন্ন প্রান্ত সহ পার্শ্ববর্তী জেলা মালদহ থেকে এসেছেন মিষ্টান্ন গড়ার কারিগরেরা। বাতাসার কারিগর জানান, “সারা বছরে তাঁরা একটাই বড় মেলা করে। ভাইফোঁটার পর পরেই বোল্লা মেলা চত্বরে আসেন। এরপরেই জায়গা ও বাড়ি ভাড়া নিয়ে জোরকদমে কাজ চলতে থাকে বাতাসা তৈরির”।
advertisement
আরও পড়ুন: শুক্রবার থেকেই দিঘায় ঘটতে চলেছে বিরাট বদল! তার মধ্যেই হাওয়া অফিস জানাল বড় আপডেট!
সঙ্গে থাকে বেশ কয়েকজন কর্মচারী। তাঁরা সকলে মিলে কয়েকদিন লাগাতার নাওয়া খাওয়া ভুলে খাজা-বাতাসা বানাতে লেগে পড়ে। তৈরি হয় কুইন্টাল কুইন্টাল খাজা-বাতাসা।” রাস পূর্ণিমার পরের শুক্রবার পুজো হয় মা বোল্লার। প্রতি বছর বোল্লা মায়ের পুজো ও মেলায় লক্ষাধিক ভক্তের সমাগম হয়। পুজোর কয়েক দিনে কয়েক হাজার কুইন্টাল বাতাসা বিক্রি হয়। জেলা সহ বাইরে থেকে বাতাসা বিক্রেতারা বোল্লা মেলায় পসরা সাজিয়ে বসেন।
সুস্মিতা গোস্বামী





