মামলার তদন্ত চলাকালীন জানা গিয়েছে যে, তিনি আত্মহত্যা করার আগে তাঁর মাকে “আমি তোমাকে খুব ভালবাসি” টেক্সট করেছিলেন। কোমালি অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমের বাসিন্দা ছিলেন এবং একটি বেসরকারি কলেজে বিএসসি করার সময় প্রায় ১১ মাস ধরে হায়দরাবাদের একটি অ্যাপার্টমেন্টে একা থাকতেন। তিনি ইউটিউবে জীবনধারা এবং ব্যক্তিগত ভিডিওও তৈরি করতেন।
advertisement
এমন মেসেজ পেয়েই বারবার কোমলির সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন বারালক্ষ্মী। যদিও মেয়ে ফোন ধরেনি। উদ্বিগ্ন হয়ে কোমলির বন্ধুদের বিষয়টি জানান এবং খোঁজ নিতে বলেন। বন্ধুরা সেদিন দুপুরে ফ্ল্যাটে দরজার সামনে দাঁড়িয়ে ডাকাডাকি করলেও কোমলির উত্তর মেলেনি। এর পরেই পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ আধিকারিক ভেঙ্কান্না বলেন, তিনট নাগাদ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফ্ল্যাট থেকে সাড়াশব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকি। সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তরুণীর দেহ উদ্ধার হয়।
আরও পড়ুন: আত্মকেন্দ্রিক, অর্থাৎ যাঁরা শুধু নিজেকে নিয়ে ভাবেন! আলোচনায় এই ৪ কথা বলবেনই এঁরা, চিনে নিন
পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েনের কারণেই আত্মঘাতী হয়েছেন কোমলি। ২৭ বছর বয়সি সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার এবং সহকর্মী ইউটিউবার তরুণের সঙ্গে গত তিন বছর ধরে সম্পর্কে ছিলেন কোমলি। যদিও সেই সম্পর্ক এক সময় ভেঙে যায়। মাস ছয়েক আগেও আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা করেছিলেন তরুণী। পুলিশ দেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়ে তদন্ত শুরু করেছে।
