শেষ পর্যন্ত নির্যাতিতার ফোন পেয়ে তাঁকে উদ্ধার করে পুলিশ৷ একজন অভিযুক্তকে গ্রেফতারও করা হয়৷ গত শনিবার রাতে এই ঘটনা ঘটেছে বলে খবর৷
জানা গিয়েছে, নির্যাতিতা পেশায় একজন নর্তকী৷ গত শনিবার রাতে বাড়ি ফেরার সময় পূর্ণিয়ার নেওয়ালাল চক এলাকা থেকে দু জন অভিযুক্ত ওই তরুণীকে অপহরণ করে গাড়িতে তুলে নিয়ে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ৷ ওই তরুণীকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে দাগারুয়া এলাকার একটি গোডাউনে নিয়ে যাওয়া হয়৷ সেখানে আরও চার জন অভিযুক্ত অপেক্ষা করছিল৷
advertisement
নির্যাতিতার বয়ান অনুযায়ী, গাড়িতে তুলে নেওয়ার পরই তাঁর মুখ বেঁধে দেওয়া হয়৷ ফলে চিৎকার করে সাহায্যও চাইতে পারেননি তিনি৷ গাড়িতে যাওয়ার সময়ই একটি জায়গায় দাগারুয়া লেখা দেখতে পান তিনি৷ তখনই ওই তরুণী বুঝতে পারেন তাঁকে শহর থেকে অনেকটা দূরে নিয়ে আসা হয়েছে৷
নির্যাতিতা জানিয়েছেন, ওই গোডাউনে নিয়ে যাওয়ার পর জোর করে মদ্যপান করিয়ে তাঁকে নাচতে বাধ্য করা হয়৷ এর পর ওই ছ জন মিলে তাঁকে গণধর্ষণ করেন৷ অত্যাচারের পর ওই তরুণীকে একটি ঘরে বন্ধ করে রেখে পাঁচ জন পালিয়ে যায়৷ কিন্তু অভিযুক্তদের মধ্যে একজন মদ্যপানের ফলে অচেতন হয়ে পড়ে৷ তারই মোবাইল থেকে আপতকালীন নম্বর ১১২-তে ফোন করে সাহায্য চান ওই তরুণী৷
ওই তরুণীর ফোন পাওয়ার পরই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁকে উদ্ধার করে৷ ওই তরুণীকে উদ্ধার করে পূর্ণিয়ার সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়৷ সেখানেই তাঁর শারীরিক পরীক্ষা করা হয়৷ তরুণীর বয়ানও রেকর্ড করে পুলিশ৷ ঘটনাস্থল থেকে অচেতন অবস্থায় এক অভিযুক্তকেও গ্রেফতার করে পুলিশ৷ জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম মহম্মদ জুনেইদ (৩৫)৷ পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত সহ অভিযুক্তদের প্রত্যেকেই দাগারুয়ার বাসিন্দা৷ বাকি পাঁচ অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ৷ অপহরণে ব্যবহৃত গাড়িটিও পুলিশ আটক করেছে৷
