গত বছর এই মহামারি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছিল ৷ রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, ২০২০ সালে লকডাউন জারি করার পরও করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছিল দ্রুত গতিতে ৷ সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, লকডাউন জারি না করা হলে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা আরও বেশি হত ৷ অর্থাৎ মহামারিতে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছিল সেপ্টেম্বর মাসে, কিন্তু লকডাউন না হলে তা অনেক আগেই হয়ে যেতে পারত ৷ এবং এর জন্য দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা তৈরি ছিল না ৷ পরিস্থিতি ভয়াবহ হওয়ার আগে লকডাউনের জন্য সময় পাওয়া গিয়েছিল স্বাস্থ্য পরিষেবাকে তৈরি করার জন্য ৷
advertisement
বিশেষজ্ঞদের মতে মহামারি আটকানোর জন্য লকডাউন সাহায্য করতে পারে কিন্তু সেটা শুরুর দিকে, যেমন আগের বছর করা হয়েছিল ৷ সেই সময় মহামারির ভয়াবহতা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছনো অনেকটাই পিছনো গিয়েছিল ৷ সরকার সেই সময় লকডাউন করে অনেকটাউ সফল হয়েছিল ৷ গত বছর আক্রান্তের সংখ্যা ১০,০০০ থেকে ৮০,০০০ হতে তিন মাসের সময় লেগেছিল ৷ অথচ এবছর তা লেগেছে মাত্র ১ মাস ১০ দিন সময় ৷ বিশেষজ্ঞরা হাল্কা লকডাউনের পাশাপাশি, টেস্টিং ও আইসোলেশনের ফর্মুলা মহামারি আটকানোর জন্য হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন ৷
অনেকে মনে করছেন যে মহারাষ্ট্র ও পঞ্জাবের পরিস্থিতিতে থেকে এটা পরিষ্কার যে নিষেধাজ্ঞা জারি করে করোনা আটকানো আর সম্ভব নয় ৷ করোনা আটকানোর এখন একটাই উপায় - টিকাকরণ ৷
