কিন্তু কিছুতেই ভারতের S400 মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম নিয়ে একমত হতে পারছে না আমেরিকা। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব লয়েড অস্টিন ভারত সফরে এসেছেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন তিনি। বিদেশ মন্ত্রী থেকে শুরু করে প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর সঙ্গেও দেখা করবেন তিনি। তাঁকে দুজন মার্কিন সেনেটর আর্জি জানিয়েছেন যেন রাশিয়ান মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম না কেনে ভারত। অতীতে এই অস্ত্র কেনার জন্য তুরস্কের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল আমেরিকা। ভারতের ক্ষেত্রে সেটা মার্কিন প্রশাসন চায় না বলেই এই আর্জি জানিয়েছেন লয়েড। সামরিক ক্ষেত্রে ভারতকে সবরকম ভাবে সাহায্য করতে রাজি ওয়াশিংটন। কিন্তু S400 নিয়ে আপত্তি রয়েছে আমেরিকার। আমেরিকার অনুরোধ উপেক্ষা করে যদি ভারত শেষপর্যন্ত এই ডিফেন্স সিস্টেম কিনে নেয় তাহলে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে আঘাত আসতে পারে এমনটাই বার্তা দিয়েছেন লয়েড অস্টিন।
advertisement
অতীতে রাজনাথ সিংহ জানিয়েছিলেন এই মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম কেনা নিয়ে কোনও চাপের কাছে মাথা নত করবে না ভারত। দেশের স্বার্থে যেটা করা উচিত তাই করা হবে। তবে মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিবের ভারত সফরের পর মোদি সরকার কী সিদ্ধান্ত নেয় সেটাই দেখার। উল্লেখ্য প্রাক্তন বায়ুসেনা প্রধান, বি এস ধানোয়া এস-৪০০-কে ‘গেমচেঞ্জার’ আখ্যা দিয়েছিলেন। এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা হামলাকারী যুদ্ধবিমান, ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন চিহ্নিত করে তাতে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে গুঁড়িয়ে দিতে সক্ষম। এর পাল্লা ৪০০ কিলোমিটার।
যার অর্থ ৪০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্য বস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। যার অর্থ হল, পাকিস্তানের প্রায় সবকটি বায়ুসেনা ঘাঁটি, চিনের বেশ কয়েকটি বায়ুসেনা ঘাঁটি ভারতের নাগালের মধ্যে চলে আসবে। পাকিস্তান আর চিনের সম্পর্ক যেভাবে সীমান্তে ভারতের চাপ বাড়াচ্ছে, সে ক্ষেত্রে এস-৪০০ যে প্রতিরক্ষায় অনেকটাই শক্তি বাড়াবে, তাতে কোনও সন্দেহ নেই।
