ইলেকট্রিকের মিস্ত্রী হিসাবে কাজ করতেন আসফাক৷ রোজকার মতো বিয়ের ১১ দিনের মাথায় কাজ সেরে ফিরছিলেন বাড়ি৷ তখনই প্রচণ্ড গোলমালের মুখে পড়তে হয় তাঁকে৷ দিশেহারা হয়ে যান তিনি৷ পালাতে পারেননি৷ হঠাৎই উন্মত্ত জনতার মধ্যে একা পড়ে যান৷ প্রথমে তাঁকে ছুরি দিয়ে আঘাত করে জনতা৷ তারপর পাঁচবার গুলি করা হয় তাঁকে৷ এর মধ্যে তিনটি বুলেট তাঁর বুকে লাগে৷ দুটি লাগে অন্যদিকে৷
advertisement
পরিবার অভিযোগ করেছে, আহত হওয়ার পর দিল্লি পুলিশ তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে দেয়নি৷ দীর্ঘক্ষণ পড়ে থাকার পর তাঁর মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় মুস্তাফাবাদের আল হিন্দ হাসপাতালে৷ পরের দিন সকালে আসফাকের মৃতদেহ নিয়ে যাওয়া হয় জিটিবি হাসপাতালে৷ পরিবারের সদস্য আরও জানিয়েছেন, ‘এদিন বাড়িতে একটু তাড়াতাড়ি ফিরতে চেয়েছিল আসফাক৷ কিন্তু হিংসার মাঝে পড়ে আর ফিরতে পারেনি৷’
শুধু আসফাক নন, এমন অনেকেই আছেন যাঁদের প্রিয়জনেরা আকস্মিক দুর্ঘটনায় হারিয়ে গিয়েছেন৷ সন্তান, স্বামী, ছেলে একের পর এক পরিবারের সদস্যরা মারা গিয়েছেন, কেউ নিখোঁজ৷ কারওর পরিবারে সদস্যরা হাসপাতালের বাইরে দাঁড়িয়ে আছেন দু’দিন, কিন্তু এখনও প্রিয়জনের মৃতদেহ পাননি৷
