প্রসঙ্গত মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে জন্ম তারিখের শংসাপত্র গ্রহণ করা যাবে না বলে রাজ্যের সিইও দফতরকে জানিয়েছিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন৷ কমিশনের যুক্তি ছিল, যেহেতু দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষার সার্টিফিকেটকে জন্মতারিখের শংসাপত্র হিসেবে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে, ফলে অ্যাডমিট কার্ডকে আর নতুন নথি হিসেবে গ্রহণ করা হবে না৷
গতকাল সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর মামলার শুনানি চলাকালীন মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড নিয়ে এই সমস্যার কথা তুলে সওয়াল করেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়৷ মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড যাতে প্রামাণ্য নথি হিসেবে কমিশন গ্রহণ করে, সেই আর্জি জানানো হয় শীর্ষ আদালতে৷ পর্যবেক্ষণে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চও জানিয়েছিল, মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে জন্ম তারিখের শংসাপত্র হিসেবে গ্রহণ করা যেতেই পারে৷ এ দিন সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়ে জানিয়ে দিল, মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে জন্ম তারিখের শংসাপত্র হিসেবে গ্রহণ করতে হবে কমিশনকে৷
advertisement
গতকালই সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, লজিক্যাল ডিসক্রিপ্যান্সির আওতায় কোন কোন ভোটাররা পড়ছেন, সেই তালিকা প্রকাশ করতে হবে কমিশনকে৷ পাশাপাশি, শুনানি কেন্দ্রে বিএলএ টু-দের উপস্থিত থাকার অনুমতিও দিয়েছিল শীর্ষ আদালত৷ প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ আরও নির্দেশ দেয়, ভোটারদের শুনানিতে ডেকে কোন কোন নথি তাঁদের কাছ থেকে নেওয়া হচ্ছে, তার প্রাপ্তিস্বীকার করতে হবে কমিশনকে৷
