ঘটনাস্থলে দমকলের ৬টি ইঞ্জিন পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালায়। প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টার পর আগুন আংশিকভাবে নিয়ন্ত্রণে এলেও ততক্ষণে আটজন শ্রমিক আগুনে পুড়ে প্রাণ হারান। এই ঘটনায় এক্স হ্যান্ডেলে শোক প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ প্রথম বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় ওই কারখানায়। এরপর পরপর তিন থেকে চারটি বিকট শব্দে গোটা এলাকা কেঁপে ওঠে। বিস্ফোরণের আওয়াজ বহু দূর পর্যন্ত শোনা যায় এবং মুহূর্তের মধ্যে গোটা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। জানা গেছে, জি-১, ১১৮ নম্বর প্লটের ওই কারখানাটি কয়েক মাস ধরে বন্ধ ছিল। সেখানে প্রচুর পরিমাণে কার্ডবোর্ড ও দাহ্য রাসায়নিক মজুত ছিল, যার কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
advertisement
নিরাপত্তার স্বার্থে এরপর আশপাশের অন্যান্য কারখানাগুলিকেও বন্ধ করে দেওয়া হয়৷ এলাকার বিদ্যুৎ সরবরাহও বন্ধ করে দেওয়া হয় বলে দমকল সূত্রে খবর। এরপর কয়েক ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে৷ কিন্তু ততক্ষণে কারখানার ভিতরে থাকা সাতজনের মৃত্যু হয়েছে ৷ প্রাথমিকভাবে ভিতরে কেউ আটকে ছিল বলে দমকলের কাছে কোনও তথ্যই ছিল না৷ পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে এলে দমকলকর্মীরা কারখানার ভিতরে যখন প্রবেশ করে দগ্ধ অবস্থায় সাতটি দেহ উদ্ধার করেন৷ ঘটনায় হতবাক হয়ে গিয়েছেন দমকলকর্মীরাও। খবর পেয়ে ভিওয়াদি পুলিশের শীর্ষ আধিকারিক এবং জেলা প্রশাসনের অফিসাররা ঘটনাস্থলে পৌঁছন।
