৪.২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই ইমার্জেন্সি ল্যান্ডিং ফেসিলিটি প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে। জরুরি পরিস্থিতিতে ভারতীয় বায়ুসেনার যুদ্ধবিমান ও পরিবহণ বিমান অবতরণ ও উড্ডয়নের সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে এটি তৈরি করা হয়েছে। উত্তর-পূর্ব ভারতে এই ধরনের এটিই প্রথম পরিকাঠামো।
advertisement
গাঁদা গাছে ফুল আসে না? ‘সিক্রেট’ টিপস আছে! সহজ উপায় জানলেই বড় বড় ফুলে ভরবে বাগান
এর আগে প্রধানমন্ত্রী চাবুয়া বিমানঘাঁটিতে পৌঁছান। সেখানে তাঁকে স্বাগত জানান অসমের রাজ্যপাল লক্ষ্মণ প্রসাদ আচার্য, মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল এবং রাজ্যের অন্যান্য শীর্ষ আধিকারিকরা। চাবুয়া থেকে প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় বায়ুসেনার সি-১৩০ জে বিমানে চেপে ইমার্জেন্সি ল্যান্ডিং ফ্যাসিলিটিতে যান।
আধিকারিকদের মতে, এই দ্বৈত-ব্যবহারযোগ্য পরিকাঠামোটি সর্বোচ্চ ৪০ টন ওজনের যুদ্ধবিমান এবং সর্বোচ্চ ৭৪ টন টেক-অফ ওজনের পরিবহণ বিমান পরিচালনায় সক্ষম।
অবতরণের পর প্রধানমন্ত্রী ২০ মিনিটের একটি আকাশ প্রদর্শনী প্রত্যক্ষ করেন। সেখানে যুদ্ধবিমান, পরিবহণ বিমান এবং হেলিকপ্টার অংশ নেয়। এর মাধ্যমে ওই ফ্যাসিলিটির কার্যক্ষমতা প্রদর্শন করা হয়।
এরপর প্রধানমন্ত্রীর গুয়াহাটিতে যাওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে তিনি ব্রহ্মপুত্র নদের উপর প্রায় ৩,০০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ১.২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ কুমার ভাস্কর বর্মা সেতুর উদ্বোধন করবেন। এই সেতু গুয়াহাটি ও উত্তর গুয়াহাটিকে সংযুক্ত করবে। এর ফলে যানজট কমবে এবং আঞ্চলিক যোগাযোগ আরও উন্নত হবে বলে প্রশাসনের দাবি। প্রকল্পটি কঠিন নদীকেন্দ্রিক পরিস্থিতিতে সম্পন্ন হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।
অসম সফরকালে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষ করে প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় জনতা পার্টির কর্মীদের উদ্দেশে ভাষণও দেবেন বলে জানা গিয়েছে।
