২১২ নম্বর ওয়ার্ডে সমাজবাদী পার্টির আমরিন শেহযান আবরাহনির কাছে পরাজিত হন গীতা। অন্য দিকে ২০৭ নম্বর ওয়ার্ডে বিজেপির রোহিদাস লোখান্ডের কাছে পরাজিত হন যোগিতা গাউলি।
দুই গাউলি কন্যার একসঙ্গে হারের ফলে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন মুম্বই পরিসরে গাউলিদের যে রাজনৈতিক ক্ষমতা ছিল তাও শেষ হয়ে গেল।
প্রসঙ্গত, ৭০-এর দশকে মুম্বই জুড়েই অরুন গাউলি কুখ্যাত অপরাধী ছিলেন। মুম্বইয়ের অন্ধকার জগতে তার প্রবেশ তার ভাই কিশোরের সঙ্গে। দুজনে মিলে বাইকুল্লা কোম্পানি নামে এক অপরাধীর গ্যাং শুরু করেন। ১৯৮০-এর শুরু থেকে শিবসেনার হাত ধরে রাজনীতিতে প্রবেশ। এরপরে ১৯৯০-এর শেষে নিজেই দল গড়ে নির্বাচন লড়েন। ২০০৪ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত চিনচিপোকলি আসন থেকে বিধায়কও নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি।
advertisement
২০০৮ সালে এক শিবসেনা কর্মীকে হত্যার জন্য তাঁকে কারাবাসে দণ্ডিত করা হয়। ১৭ বছর কারাবাস শেষে গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে জামিনে মুক্তি পান তিনি।
