অভিযোগকারী যুবক বিক্রমজিৎ জানিয়েছেন, রেখা নামে এক তরুণীর সঙ্গে বিয়ের পরই এই ঘটনা ঘটে৷ রেখার এটি দ্বিতীয় বিয়ে ছিল৷ ২০১৫ সালে প্রথম বার বিয়ে হয় তাঁর৷ প্রথমপক্ষের স্বামীর সঙ্গে তাঁর দুটি সন্তানও রয়েছে৷
বিক্রমজিৎ জানিয়েছেন, যেহেতু রেখার বিবাহবিচ্ছেদ হয়নি, তাই ২০২৫ সালের মে মাসে প্রথমে একটি লিভ ইন চুক্তি করেন তাঁরা৷ রেখা এবং তাঁর পরিবার বিক্রমজিৎকে আশ্বস্ত করেছিল, রেখার ডিভোর্স প্রক্রিয়া চলছে এবং কয়েকদিনের মধ্যেই তার নিষ্পত্তি হয়ে যাবে৷
advertisement
এই আশ্বাস পেয়েই গত ২৬ মে একটি গুরদ্বারে রেখাকে বিয়ে করেন বিক্রমজিৎ৷ অভিযোগ, এর পরই ভোল বদলে যায় ওই তরুণীর৷ স্ত্রীর ব্যবহারও সম্পূর্ণ বদলে যায় বলে অভিযোগ বিক্রমজিতের৷
ওই যুবকের অভিযোগ, বিয়ের কয়েকদিনের মধ্যেই তাঁর মায়ের খাওয়ার জন্য রাখা খিচুড়িতে ফিনাইল মিশিয়ে দেন রেখা৷ ওই বৃদ্ধা অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে নিয়ে হাসপাতালে ছোটেন পরিবারের সবাই৷ সেই সুযোগেই রেখা সোনা এবং রুপোর গয়না ছাডা়ও নগদ ৩০ হাজার টাকা নিয়ে চম্পট দেয় বলে অভিযোগ৷
বিক্রমজিতের পরিবারের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ, রেখার পরিবারকে বিষয়টি জানানো হলে পাল্টা তাঁদেরই হুমকি দেওয়া হয়৷ রেখার পরিবার জানিয়ে দেয়, এটাই তাদের ব্যবসা৷ বিক্রমজিৎরা চাইলেও কিছু করতে পারবে না৷ অভিযোগ, রেখার পরিবার উল্টে ৩ লক্ষ টাকা দাবিও করে৷ টাকা না দিলে বিক্রমজিৎদের পরিবারকে ফাঁসিয়ে দেওয়ারও হুমকি দেওয়া হয়৷ অভিযোগ দায়েরের পর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ৷৷
