সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন, বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে মানুষ ভারতে আসছেন এই সম্মেলনে যোগ দিতে—এটাই প্রমাণ করে দেশের যুবসমাজের দক্ষতা ও সামর্থ্য। একইসঙ্গে তিনি বলেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে ভারত দ্রুত অগ্রগতি করছে এবং বিশ্ব উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি, নীতিনির্ধারক, গবেষক, শিল্পপতি এবং প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, এই সম্মেলনের লক্ষ্য হল AI-র ভবিষ্যৎ নিয়ে বিশ্বকে এক মঞ্চে এনে আলোচনা করা।
advertisement
আরও পড়ুনঃ AI-তে বিশ্বনেতৃত্বের পথে ভারত, দিল্লিতে পাঁচদিনের গ্লোবাল সামিট শুরু
এই সম্মেলনের মূল ভাবনা “Sarvajana Hitaya, Sarvajana Sukhaya”—অর্থাৎ সকলের মঙ্গল ও সুখ নিশ্চিত করা। প্রধানমন্ত্রী জানান, AI যেন মানবকেন্দ্রিক উন্নয়নের পথে ব্যবহৃত হয়, সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ।
তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে AI স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি, প্রশাসন ও ব্যবসা—প্রতিটি ক্ষেত্রেই বড় পরিবর্তন আনছে। এই সম্মেলনের আলোচনাগুলি ভবিষ্যতে দায়িত্বশীল ও উন্নয়নমুখী AI ব্যবহারের পথ দেখাবে বলেও আশাবাদী তিনি।
প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, দেশের ১৪০ কোটি মানুষের শক্তি, ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার, শক্তিশালী স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম এবং গবেষণার অগ্রগতির ফলে ভারত আজ AI বিপ্লবের অগ্রভাগে রয়েছে।
এদিন তিনি India AI Impact Expo 2026-এর উদ্বোধনও করেন। ১৬ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলা এই এক্সপোতে ৭০ হাজার বর্গমিটারেরও বেশি এলাকায় ১০টি অ্যারেনায় বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তি সংস্থা, স্টার্টআপ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি সংস্থাগুলি অংশ নিচ্ছে।
১৩টি দেশের প্যাভিলিয়ন, ৩০০-র বেশি প্রদর্শনী স্টল এবং লাইভ ডেমো সহ এই এক্সপোতে ৬০০-র বেশি স্টার্টআপ তাদের বাস্তবসম্মত AI সমাধান তুলে ধরবে।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, এই সম্মেলনে ২ লক্ষেরও বেশি অংশগ্রহণকারী যোগ দিতে পারেন। তাই রাজধানীতে ব্যাপক ট্রাফিক ও লজিস্টিক ব্যবস্থা করা হয়েছে। বোর্ড পরীক্ষার কথা মাথায় রেখে স্কুলগুলির সঙ্গেও সমন্বয় রাখা হয়েছে।
সম্মেলন ও এক্সপো মিলিয়ে ৫০০-রও বেশি সেশন এবং ৩২৫০-র বেশি বক্তা অংশ নিচ্ছেন, যেখানে AI-র ভবিষ্যৎ, নীতি নির্ধারণ এবং বিশ্বব্যাপী এর প্রভাব নিয়ে আলোচনা হবে। আয়োজকদের লক্ষ্য, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উন্নয়ন যেন বিশ্বের সব মানুষের উপকারে আসে।
